ডিহাইড্রেশন বা শরীরে পানি কমে যাওয়ার কারণে মাথাব্যথা হওয়া সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত পানি পান না করলে মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য অংশে পরিবর্তন ঘটে, যা মাথাব্যথার প্রধান কারণ হতে পারে।
ডিহাইড্রেশনের ফলে মস্তিষ্কের চারপাশের রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে যেতে পারে, রক্ত ঘন হয়ে যায় এবং স্নায়ুর কার্যকারিতায় প্রভাব পড়ে। এছাড়াও শরীরের সোডিয়াম ও পটাসিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণে মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং ঘুম-মনোযোগের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা দিনে প্রায় ৮-১০ গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ দেন। এছাড়া ফল ও সবজি খাওয়া, অতিরিক্ত কফি বা অ্যালকোহল এড়ানো এবং শারীরিক কার্যক্রমের সময় পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।
চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন, দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র মাথাব্যথা হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
পর্যাপ্ত পানি পান করলে শুধু মাথাব্যথাই নয়, সারাদিনের ক্লান্তি ও অস্বস্তিও অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

