সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী বলেন, সামনে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাই রাষ্ট্র ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েলকে আরও বিস্তৃত প্রস্তুতি নিতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তিনি মনে করছেন, সংঘাত আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটন-এর মধ্যে। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই সেই আলোচনা শেষ হয়।
এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ইরানে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে এক হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

