কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ফ্যাক্টচেকিং, ডিসইনফরমেশন ও মিসইনফরমেশন বিষয়ে একটি প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রিটিশ কাউন্সিল, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সোমবার (২ তারিখ) সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি বিভাগের ব্যাচ প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।
সেমিনারে ফ্যাক্টচেকিংয়ের গুরুত্ব, ভুয়া তথ্য শনাক্ত করার কৌশল, ডিসইনফরমেশন ও মিসইনফরমেশনের সামাজিক প্রভাব এবং দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। আয়োজকরা জানান, ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা রহমান সম্পা বলেন, কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল তরুণদের ডিজিটাল লিটারেসি বাড়ানো, ভুল তথ্য ও অপতথ্য সম্পর্কে সচেতন করা এবং ফ্যাক্টচেকিং টুলসের সঙ্গে পরিচিত করা। তিনি বলেন, ফ্রেশার্সদের দায়িত্বশীল ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতেই এই আয়োজন করা হয়েছে।
বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান বলেন, বাস্তব জীবনের মতো অনলাইন স্পেসেও শিষ্টাচার ও দায়িত্ববোধ জরুরি। তিনি মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের বিরুদ্ধে সচেতনতা ও প্রতিরোধ ক্ষমতা (রেজিলিয়েন্স) গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, ডিজিটাল দুনিয়ায় সংযুক্ত থাকার পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়ানো জরুরি, নচেৎ ভুল তথ্য শেয়ার করলে তা ব্যক্তির সচেতনতার মান নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
কর্মসূচিটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে আয়োজকরা জানান।

