বিপ্লবী বার্তা
সর্বশেষ
ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও আধুনিক পার্কের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও আধুনিক পার্কের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের অমর স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নির্মিত হলো সুউচ্চ ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই স্মৃতিস্তম্ভ এবং আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যান প্রাঙ্গণে পৌঁছান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইতিহাসের এক অনন্য আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যখন প্রধানমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান, শাহরিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলমকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’-এর নামফলক উন্মোচন করেন। উদ্বোধন শেষে তিনি স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।পরে প্রধানমন্ত্রী আধুনিকায়নকৃত পুরো ওসমানী উদ্যান ঘুরে দেখেন এবং উদ্যানের পাশেই নবনির্মিত গ্রন্থাগারটি পরিদর্শন করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।৯০ ফুট উঁচু স্মৃতিস্তম্ভে খোদাইকৃত ৮৩৪ শহীদের নামরাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে নির্মিত হয়েছে ৯০ ফুট উচ্চতার নান্দনিক এই ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী ৮৩৪ জন শহীদের পবিত্র নাম অত্যাধুনিক লেজার কাটিংয়ের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে খোদাই করা হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভের গায়ে। এর ঠিক সামনে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য স্থাপন করা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক।স্মৃতিস্তম্ভটির স্থাপত্যশৈলীতে ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস। এর বাইরের অংশে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৪ ফুট উঁচু এবং ভেতরের অংশে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৭ ফুট উঁচু রিলিফ ভাস্কর্য রাখা হয়েছে। এই ভাস্কর্যে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গৌরবোজ্জ্বল ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ইতিহাস মূর্ত হয়ে উঠেছে।সবুজ ও আধুনিক নাগরিক বিনোদনে রূপান্তর হলো ওসমানী উদ্যানপুরাতন ও নতুন ঢাকার সংযোগস্থলে অবস্থিত ২৩ একর আয়তনের ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানকে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে উদ্যানটিকে রাজধানীবাসীর জন্য একটি নিরাপদ, সবুজ ও বিশ্বমানের আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় উদ্যানের পুরোনো জলাশয়টি সংস্কারের পাশাপাশি আরও পাঁচটি নতুন জলাশয় বা লেক খনন করা হয়েছে। উদ্যানের পুরনো গাছপালা অক্ষত রেখে নতুন করে বৃক্ষরোপণ এবং সবুজ দ্বীপ তৈরি করা হয়েছে। নগরবাসীর শারীরিক কসরত ও বিনোদনের জন্য রয়েছে প্রায় ৩ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ওয়াকওয়ে (হাঁটার পথ), আধুনিক ব্যায়ামাগার, প্যাগোডা, পার্কিং জোন, গণশৌচাগার ও দৃষ্টিনন্দন ঘাট। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগে ৫০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং বা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া দুই স্তরে বিন্যস্ত এই উদ্যানের সড়ক থেকে দুই মিটার উঁচুতে দ্রুত চলাচলের বিশেষ পথ তৈরি করা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করবে।

ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও আধুনিক পার্কের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ ও আধুনিক পার্কের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের অমর স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নির্মিত হলো সুউচ্চ ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই স্মৃতিস্তম্ভ এবং আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যান প্রাঙ্গণে পৌঁছান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইতিহাসের এক অনন্য আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যখন প্রধানমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান, শাহরিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলমকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’-এর নামফলক উন্মোচন করেন। উদ্বোধন শেষে তিনি স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।পরে প্রধানমন্ত্রী আধুনিকায়নকৃত পুরো ওসমানী উদ্যান ঘুরে দেখেন এবং উদ্যানের পাশেই নবনির্মিত গ্রন্থাগারটি পরিদর্শন করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।৯০ ফুট উঁচু স্মৃতিস্তম্ভে খোদাইকৃত ৮৩৪ শহীদের নামরাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে নির্মিত হয়েছে ৯০ ফুট উচ্চতার নান্দনিক এই ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী ৮৩৪ জন শহীদের পবিত্র নাম অত্যাধুনিক লেজার কাটিংয়ের মাধ্যমে নিখুঁতভাবে খোদাই করা হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভের গায়ে। এর ঠিক সামনে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য স্থাপন করা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক।স্মৃতিস্তম্ভটির স্থাপত্যশৈলীতে ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস। এর বাইরের অংশে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৪ ফুট উঁচু এবং ভেতরের অংশে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৭ ফুট উঁচু রিলিফ ভাস্কর্য রাখা হয়েছে। এই ভাস্কর্যে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গৌরবোজ্জ্বল ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ইতিহাস মূর্ত হয়ে উঠেছে।সবুজ ও আধুনিক নাগরিক বিনোদনে রূপান্তর হলো ওসমানী উদ্যানপুরাতন ও নতুন ঢাকার সংযোগস্থলে অবস্থিত ২৩ একর আয়তনের ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানকে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে উদ্যানটিকে রাজধানীবাসীর জন্য একটি নিরাপদ, সবুজ ও বিশ্বমানের আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় উদ্যানের পুরোনো জলাশয়টি সংস্কারের পাশাপাশি আরও পাঁচটি নতুন জলাশয় বা লেক খনন করা হয়েছে। উদ্যানের পুরনো গাছপালা অক্ষত রেখে নতুন করে বৃক্ষরোপণ এবং সবুজ দ্বীপ তৈরি করা হয়েছে। নগরবাসীর শারীরিক কসরত ও বিনোদনের জন্য রয়েছে প্রায় ৩ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ওয়াকওয়ে (হাঁটার পথ), আধুনিক ব্যায়ামাগার, প্যাগোডা, পার্কিং জোন, গণশৌচাগার ও দৃষ্টিনন্দন ঘাট। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগে ৫০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং বা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া দুই স্তরে বিন্যস্ত এই উদ্যানের সড়ক থেকে দুই মিটার উঁচুতে দ্রুত চলাচলের বিশেষ পথ তৈরি করা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করবে।

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ / নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এক করুণ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ের ওপর থেকে ধেয়ে আসা প্রবল বানের তোড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ছয়শো মানুষ।মৃত্যুর এই তালিকার পাশাপাশি এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধারে কাজ করছেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী।এই প্রলয়ংকরী ঘটনার সূত্রপাত হয় হিমালয়ের বুক চিরে আসা নদীর পানি হঠাৎ তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা আকস্মিক ঢলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ভূমিধসের কাদা এবং পাথর এক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে। বানের পানির এই তীব্র শক্তি তার গতিপথে থাকা বাড়িঘর, সেতু, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ যাবতীয় অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র এবং পবিত্র স্থানগুলোতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু ও তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটেছিল। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে তাদের একটি বড় অংশ আটকা পড়েন কিংবা ভেসে যান, যার ফলে বহু ভিন্ন দেশের নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী তিব্বত অঞ্চলেও। সেখানেও বহু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

বাগেরহাটে মাদকে আসক্ত কিশোরের মৃত্যু,মাদক বিক্রির বাড়িতে এলাকাবাসীর অভিযান

বাগেরহাটে মাদকে আসক্ত কিশোরের মৃত্যু,মাদক বিক্রির বাড়িতে এলাকাবাসীর অভিযান

বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের রহিমাবাদ গ্রামে(১৬) বছর বয়সী স্কুলছাত্র কাজী মারজানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মাদকের সহজলভ্যতা নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।পরিবারের দাবি, মাদক কেনার জন্য চাহিদামতো টাকা না পেয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল মারজান। বিষপানের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর এলাকায় মাদকবিরোধী তৎপরতায় নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মাদক বিক্রির অভিযোগ ওঠা একটি বাড়িতে গিয়ে তারা ঘর সরানোর উদ্যোগ নেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তাদের উপস্থিতির খবর পেয়ে ওই বাড়ির এক ব্যক্তি সেখান থেকে চলে যান বলেও দাবি করেছেন তারা।মারজান রহিমাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কাজী এনামুল হক রিপন অনেক আগেই মারা গেছেন। পরিবারে রয়েছে তার এক ছোট বোন। স্বামীহারা মায়ের সংসারে আর্থিক সংকটের মধ্যেই বেড়ে উঠছিল মেধাবী এই কিশোর।পরিবারের সদস্যদের জানান, মারজান গত দুই থেকে তিন বছর ধরে মাদকাসক্ত ছিল। মাদক কেনার জন্য সে বিভিন্ন সময়ে পরিবারের কাছে টাকা চাইত। কিন্তু পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় তার চাহিদামতো টাকা দেওয়া সম্ভব হতো না। টাকা না পেলে সে মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়ত এবং বিভিন্ন ধরনের আচরণ করত বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।পরিবার ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সাড়ে সাতটার দিকে বিষপান করে মারজান। পরে স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে তিনটার দিকে মৃত্যু হয়।মারজানের মৃত্যুর পর রহিমাবাদ গ্রামে মাদকের বিস্তার ও সহজলভ্যতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কেনাবেচা চলছে। বিশেষ করে রহিমাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আশপাশে মাদক বিক্রির অভিযোগ তুলে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, মাদক সহজে পাওয়া যাওয়ায় এলাকার তরুণদের একটি অংশ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।স্থানীয় বাসিন্দা শেখ হাসানুল বান্না বলেন, রহিমাবাদ একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। এখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সুস্থ পরিবেশ ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মাদকের বিস্তার নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। এলাকায় মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা ব্যক্তিদের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে অনুরোধ করা হলেও কার্যকর পরিবর্তন দেখা যায়নি।আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি ছিলেন শেখ আবু সাঈদ। তার মেজো ভাই হাফিজুর রহমান আওয়ামী লীগের শাসনামলেও তাঁদের মামার প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় মাদক বিক্রি ও জমি দখল করেছেন বলে আমাদের অভিযোগ। এখনো সেই প্রভাব খাটিয়ে রহিমাবাদ এলাকায় মাদক ব্যবসা চালানো হচ্ছে বলে আমরা মনে করি। স্কুলের পাশে একটি ঘর তুলে সেখানে বসে মাদক বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া রাস্তার পাশে গরুর গোয়াল তৈরি করে পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে এবং মসজিদের জমি দখল করে পানবরজ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।তাদের ভয়ে এলাকার মানুষ অনেক সময় মুখ খুলতে পারেন না। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই, আমাদের ভাইপোকে আর ফিরে পাব না। কিন্তু মাদকের কারণে আর কোনো পরিবারের সন্তান যেন এভাবে প্রাণ না হারায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা সরকারের কাছে রহিমাবাদকে মাদকমুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।আজ আমরা এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে অভিযোগ ওঠা বাড়িটি উচ্ছেদের উদ্যোগ নিতে এসেছিলাম। কিন্তু আমাদের উপস্থিতির খবর পেয়ে তাঁরা সেখান থেকে চলে যান।স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল খান বলেন, মারজানের পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছিল। মাদক কেনার জন্য সে যে পরিমাণ টাকা চাইত, তা পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব হতো না। তাঁর দাবি, টাকা না পেলে মারজান অস্বাভাবিক আচরণ করত।তিনি আরও বলেন, রহিমাবাদ গ্রামের গাবতলা থেকে ভাঙ্গড় এলাকা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রয়েছেন যারা আওয়ামী লীগ আমলেও তারা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে এখনো তারা এই আমলে এসেও তারা সেভাবেই মাদকের ব্যবসা করে যাচ্ছে। তাদের উপরে কথা বলার মতন এই গ্রামে কারো সাহস নাই আমরা সরকারের কাছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ জানাচ্ছি যে আমাদের একটু মাদকমুক্ত সমাজ চাই।স্থানীয় বাসিন্দা মিলন বলেন,মারজান এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। তার সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ছিল। মাদকের সহজলভ্যতা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা চাই, আমাদের গ্রাম আগের মতো সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে ফিরে আসুক। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।এলাকায় প্রভাবশালী একটি চক্রের ছত্রচ্ছায়ায় মাদক কেনাবেচা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে তার এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই পাওয়া যায়নি। অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের বক্তব্যও এ প্রতিবেদনে পাওয়া সম্ভব হয়নি।স্থানীয় বাসিন্দা বেগ মোকাররম হোসেন বলেন, রহিমাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে মাদক কেনাবেচার বিষয়ে তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুরোধ করেছেন। পরে তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছেও বিষয়টি তুলে ধরেন বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে এলাকার তরুণদের মাদকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হতো। মারজানের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি রহিমাবাদ গ্রামকে মাদকমুক্ত করতে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেন।তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মাদক বিক্রির অভিযোগ এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাইও প্রয়োজন। মারজানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে মাদকবিরোধী অবস্থান নেন। স্থানীয়দের দাবি, তাঁরা মাদক বিক্রির অভিযোগ ওঠা একটি বাড়িতে গিয়ে ঘর সরানোর উদ্যোগ নেন। তাঁদের উপস্থিতির খবর পেয়ে ওই বাড়ির এক ব্যক্তি চলে যান বলেও তাঁরা জানান।এ ঘটনায় আইনগতভাবে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা এলাকায় মাদক কেনাবেচা বন্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলা ও সুস্থ সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, গতকাল রাতে বিষপানের কারণে এক অল্পবয়সী ছেলেকে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে বাঁচানোর জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় বিষপানের কারণে শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। ময়নাতদন্ত-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।বাগেরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সামসুল আরেফিন বলেন,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। এক কিশোরের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও এলাকাজুড়ে। একই সঙ্গে মাদকের সহজলভ্যতা, তরুণদের আসক্তি এবং তা প্রতিরোধে সামাজিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মারজানের মৃত্যুর ঘটনা যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে এবং মাদক কেনাবেচার অভিযোগগুলো যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট / বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞ ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম শেষেই নিজ নিজ দেশের ক্যাম্পে যোগ দেবেন ফুটবলাররা। ১০৪ ম্যাচের এই দীর্ঘ বিশ্বযুদ্ধের বেশিরভাগ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকার মাটিতে।বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফুটবলারদের বিশ্রাম, পুষ্টি ও অনুশীলনের সুবিধা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি দলই ম্যাচ ভেন্যুর কাছাকাছি বেছে নিয়েছে নিজেদের বেস ক্যাম্প। তারকা ফুটবলারদের জন্য এসব ক্যাম্পে থাকছে আধুনিক পারফরম্যান্স ল্যাব, জিমনেসিয়াম ও বিলাসবহুল আবাসন ব্যবস্থা।পাঠকদের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের দলগুলোর বেস ক্যাম্প, অনুশীলনের ভেন্যু এবং গ্রুপ পর্বের ম্যাচের সময়সূচি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী দলসমূহআর্জেন্টিনা (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন)অবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: স্পোর্টিং কেসি পারফরম্যান্স সেন্টারআবাসন: হোটেল সেভয়, কানসাস সিটিআলজেরিয়া (১৬ জুন, কানসাস সিটি), অস্ট্রিয়া (২২ জুন, ডালাস), জর্ডান (২৭ জুন, ডালাস)।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ক্যাম্পে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের দোহা ক্যাম্পের মতোই এখানেও আলবিসেলেস্তেদের জন্য থাকছে তাদের ঐতিহ্যবাহী 'বার্বিকিউ মাংস' রান্নার বিশেষ কাস্টমাইজড সুবিধা। হোটেল থেকে অনুশীলন মাঠের দূরত্ব ২০ মিনিটেরও কম।ব্রাজিলঅবস্থান: নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সিঅনুশীলন: কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং施設 (নিউ জার্সি)আবাসন: রিজ হোটেল, নিউ ইয়র্ক সিটিম্যাচের সূচি: মরক্কো (১৩ জুন, নিউ জার্সি), হাইতি (১৯ জুন, ফিলাডেলফিয়া), স্কটল্যান্ড (২৪ জুন, মায়ামি)।পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা থাকার জন্য বেছে নিয়েছে ঝলমলে নিউ ইয়র্ক সিটি ('বিগ অ্যাপেল')। তবে তারা অনুশীলন করবে পার্শ্ববর্তী নিউ জার্সিতে এমএলএস দল নিউ ইয়র্ক রেড বুলসের সর্বাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে।জার্মানিঅবস্থান: উইনস্টন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনাঅনুশীলন: ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়াম)আবাসন: দ্য গ্রেলাইন এস্টেটম্যাচের সূচি: কুরাসাও (১৪ জুন, হিউস্টন), আইভরি কোস্ট (২০ জুন, টরন্টো), ইকুয়েডর (২৫ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।চারবারের চ্যাম্পিয়নরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে বিলাসবহুল বুটিক হোটেল গ্রেলাইন এস্টেট বেছে নিয়েছে। ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির এই স্টেডিয়ামটি আমেরিকার অন্যতম সেরা কলেজিয়েট ফুটবল ভেন্যু। এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের কোনো সুযোগ থাকবে না।ফ্রান্সঅবস্থান: ওয়ালথাম, ম্যাসাচুসেটসঅনুশীলন: বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়আবাসন: ফোর সিজনস হোটেল, বোস্টনম্যাচের সূচি: সেনেগাল (১৬ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি), ইরাক (২২ জুন, ফিলাডেলফিয়া), নরওয়ে (২৬ জুন, বোস্টন)।বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফরাসি দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কোনো ব্যাঘাত ছাড়াই চলবে।ইংল্যান্ডঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: সোয়াপ সকার সেন্টারআবাসন: দ্য ইন অ্যাট মেডোব্রুকম্যাচের সূচি: ক্রোয়েশিয়া (১৭ জুন, ডালাস), ঘানা (২৩ জুন, বোস্টন), পানামা (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।হ্যারিকেনদের হোটেলটি তাদের অনুশীলন মাঠ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। কানসাস সিটিতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসও ঘাঁটি গেড়েছে।পর্তুগালঅবস্থান: পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডাঅনুশীলন: গার্ডেন নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টস পার্কআবাসন: ফোর সিজনস হোটেলম্যাচের সূচি: ডিআর কঙ্গো (১৭ জুন, হিউস্টন), উজবেকিস্তান (২৩ জুন, হিউস্টন), কলম্বিয়া (২৮ জুন, মায়ামি)।১০টি মাঠের এই বিশাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল অনুশীলন করবে। এর আগে এখানে রিয়াল মাদ্রিদ দল ক্লাব বিশ্বকাপের সময় অনুশীলন করেছিল।স্পেনঅবস্থান: চ্যাটানুগা, টেনেসিঅনুশীলন: বেলর স্কুলআবাসন: দ্য অ্যাম্বাসি সুইটসম্যাচের সূচি: কেপ ভার্দে (১৫ জুন, আটলান্টা), সৌদি আরব (২১ জুন, আটলান্টা), উরুগুয়ে (২৬ জুন, গুয়াদালাহারা)।চ্যাটানুগার একটি অভিজাত ব্যক্তিগত স্কুলে অবস্থান করবে স্পেন। দলের শতভাগ গোপনীয়তা বজায় রাখতে বেলর স্কুল তাদের ক্যাম্পাসে ১০ ফুটের ব্ল্যাকআউট বেষ্টনী তৈরি করেছে।নেদারল্যান্ডসঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: কেসি কারেন্ট ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হোটেল কানসাস সিটিম্যাচের সূচি: জাপান (১৪ জুন, ডালাস), সুইডেন (২০ জুন, হিউস্টন), তিউনিসিয়া (২৫ জুন, কানসাস সিটি)।ডাচরা আমেরিকার প্রথম বিশেষায়িত নারী পেশাদার ক্রীড়া দলের (কানসাস সিটি কারেন্ট) কমপ্লেক্সে অনুশীলন করবে। ঐতিহ্যবাহী 'কমলা ডাবল-ডেকার বাস' নিয়ে এবারও মাতবেন ডাচ সমর্থকরা।বেলজিয়ামঅবস্থান: রেন্টন, ওয়াশিংটনঅনুশীলন: সিয়াটল সাউন্ডার্স ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হায়াত রিজেন্সি, সিয়াটলম্যাচের সূচি: মিশর (১৫ জুন, সিয়াটল), ইরান (২১ জুন, লস অ্যাঞ্জেলেস), নিউজিল্যান্ড (২৬ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।ইতালি/অন্যান্য ইউরোপীয় দলসমূহ:ক্রোয়েশিয়া: অবস্থান ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া (এপিসকোপাল হাই স্কুল)। ম্যাচের সূচি: ইংল্যান্ড (১৭ জুন), পানামা (২৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্র (২৭ জুন)।অস্ট্রিয়া: অবস্থান সান্টা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেলের নাম রিৎজ-কার্লটন।সুইডেন: ফ্রিসকো, টেক্সাস (এফসি ডালাস স্টেডিয়াম)। ১৮২ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সংস্কার করা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে তারা।সুইজারল্যান্ড: সান ডিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেল থেকে একাডেমির দূরত্ব মাত্র ৮ মিনিট।চেক প্রজাতন্ত্র: ম্যানসফিল্ড, টেক্সাস (ম্যানসফিল্ড মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম)।এশিয়ান ও আফ্রিকান পরাশক্তিদের ক্যাম্প:জাপান: অ্যান্টিওক, টেনেসি (ন্যাশভিল এসসি ভ্যান্ডারবিল্ট হেলথ ট্রেনিং সেন্টার)।সৌদি আরব: অস্টিন, টেক্সাস (অস্টিন এফসি স্টেডিয়াম)। ২০৩৪ বিশ্বকাপের একক আয়োজক দেশটি থাকবে অস্টিনের ফোর সিজনস হোটেলে।মিশর: স্পোকেন, ওয়াশিংটন (গনজাগা বিশ্ববিদ্যালয়)। মোহাম্মদ সালাহর দল মূলত পশ্চিম উপকূল কেন্দ্রিক ম্যাচগুলো খেলবে।আইভরি কোস্ট: চেস্টার, পেনসিলভানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন সুবারু পার্ক)।সেনেগাল: পিসকাটাওয়ে, নিউ (রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়)।ঘানা: স্মিথফিল্ড, রোড আইল্যান্ড (ব্রায়ান্ট বিশ্ববিদ্যালয়)।উজবেকিস্তান (নবাগত): ম্যারিয়েটা, জর্জিয়া (আটলান্টা ইউনাইটেড ট্রেনিং সেন্টার)।ইরাক: হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া (দ্য গ্রিনব্রিয়ার রিসোর্ট)। যেখানে পূর্বে ২৮ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবস্থান করেছেন, সেই রাজকীয় রিসোর্টে থাকবে ইরাক দল।আলজেরিয়া: লরেন্স, কানসাস (কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়)।লাতিন ও উত্তর আমেরিকার অন্যান্য দল:যুক্তরাষ্ট্র (স্বাগতিক): আরভাইন, ক্যালিফোর্নিয়া (গ্রেট পার্ক স্পোর্টস কমপ্লেক্স)। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বিমানঘাঁটিতে তৈরি এই ক্যাম্পকে 'অনবদ্য' আখ্যা দিয়েছেন ইউএস সকারের ডিরেক্টর।অস্ট্রেলিয়া: ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া (ক্লেয়ারমন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড ক্লাব)।প্যারাগুয়ে: সান জোসে, ক্যালিফোর্নিয়া (সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি)।ইকুয়েডর: কলম্বাস, ওহিও (কলম্বাস ক্রু পারফরম্যান্স সেন্টার)।ডিআর কঙ্গো: হিউস্টন, টেক্সাস (হিউস্টন স্পোর্টস পার্ক)।কেপ ভার্দে (নবাগত): টাম্পা, ফ্লোরিডা (ওয়াটার্স স্পোর্টসপ্লেক্স)।কুরাসাও (নবাগত): পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডা (ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়)।জর্ডান (নবাগত): পোর্টল্যান্ড, ওরেগন (পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়)।মেক্সিকো (স্বাগতিক)অবস্থান: মেক্সিকো সিটিপ্রশিক্ষণ ও আবাসন: সেন্ট্রো ডি আল্টো রেন্ডিমিয়েন্টো (CAR)ম্যাচের সূচি: দক্ষিণ আফ্রিকা (১১ জুন, মেক্সিকো সিটি), দক্ষিণ কোরিয়া (১৮ জুন, গুয়াদালাহারা), চেকিয়া (২৪ জুন, মেক্সিকো সিটি)।মেক্সিকো তাদের নিজেদের ঘরের মাঠের আবহ এবং উচ্চতার সুবিধা (Altitude Advantage) শতভাগ কাজে লাগাতে রাজধানীতেই ক্যাম্প করেছে। এই হাই-পারফরম্যান্স কেন্দ্রটি ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে, যা একই সাথে খেলোয়াড়দের থাকা ও অনুশীলনের জায়গা হিসেবে কাজ করবে।কলম্বিয়াঅবস্থান: গুয়াদালাহারা, মেক্সিকোঅনুশীলন: অ্যাটলাস এজিএ একাডেমিআবাসন: গ্র্যান্ড ফিয়েস্তা আমেরিকানা কান্ট্রি ক্লাবউজবেকিস্তান (১৭ জুন, মেক্সিকো সিটি), ডিআর কঙ্গো (২৩ জুন, গুয়াদালাহারা), পর্তুগাল (২৭ জুন, মায়ামি)।বিশেষত্ব: ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা এই আধুনিক পারফরম্যান্স সেন্টারে ছয়টি পেশাদার মাঠ এবং স্পোর্টস সায়েন্স মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।মেক্সিকোর অন্যান্য ক্যাম্প:দক্ষিণ কোরিয়া: গুয়াদালাহারা (চিভাস ভার্দে ভালে)। উচ্চতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এই শহরটিকে বেছে নিয়েছে তারা।দক্ষিণ আফ্রিকা: পাচুকা (ইউনিভার্সিদাদ দেল ফুটবল)। এখানে একটি ফিফা-সার্টিফাইড মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।তিউনিসিয়া: মনটেনি (এল বারিয়াল ট্রেনিং সেন্টার)। লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রিমিয়াম ফুটবল সুবিধা এটি।প্লেয়া ডেল কারমেন, কুইন্টানা রু (মায়াকোবা ট্রেনিং সেন্টার)। বিমানবন্দর ও হোটেলের কাছাকাছি বিলাসবহুল রিসোর্ট সিটিতে থাকবে সুয়ারেজ-ভালভার্দের দেশ।কানাডা অবস্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়াঅনুশীলন: ন্যাশনাল সকার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারআবাসন: দ্য ওয়েস্টিন বেশোর, ভ্যাঙ্কুভারম্যাচের সূচি: বসনিয়া (১২ জুন, টরন্টো), কাতার (১৮ জুন, ভ্যাঙ্কুভার), সুইজারল্যান্ড (২৪ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।স্বাগতিক দেশের সুবিধা নিয়ে কানাডা ভ্যাঙ্কুভারে বেস ক্যাম্প করেছে। গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচের ২টিই তারা ঘরের মাঠে খেলবে।পানামাঅবস্থান: নিউ টেকুমসেথ, ওন্টারিওঅনুশীলন: নোটাওয়াসাগা ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: নোটাওয়াসাগা রিসোর্ট অ্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারম্যাচের সূচি: ঘানা (১৭ জুন, টরন্টো), ক্রোয়েশিয়া (২৩ জুন, টরন্টো), ইংল্যান্ড (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।কানাডা নিজেদের দল ছাড়া একমাত্র পানামাকেই তাদের দেশের মাটিতে বেস ক্যাম্প করার অনুমতি দিয়েছে।ইরানঅবস্থান: তিজুয়ানা, মেক্সিকো (যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের ঠিক বিপরীতে)ম্যাচের সূচি: নিউজিল্যান্ড (১৫ জুন), বেলজিয়াম (২১ জুন), মিশর (২৬ জুন)।রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে ইরানের বিশ্বকাপ ক্যাম্প নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দলটিকে স্বাগত জানালেও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে নির্বিঘ্নে অনুশীলনের জন্য আমেরিকার সান ডিয়েগোর ঠিক বিপরীতে মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইরান ফুটবল ফেডারেশন, যা ফিফা কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।সব মিলিয়ে ফুটবলারদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে আয়োজক শহরগুলো এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মাঠের লড়াইয়ে কোন ক্যাম্পের কৌশল কতটা কাজে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

চবি সূর্যসেন হলের ছাত্রীদের জন্য পানির ফিল্টার দিলেন এমপি সাঈদ আল নোমান

চবি সূর্যসেন হলের ছাত্রীদের জন্য পানির ফিল্টার দিলেন এমপি সাঈদ আল নোমান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ছাত্রীদের সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পানির ফিল্টার দিয়েছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।রোববার (১৮ অক্টোবর) হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) মো. তাজীম ইবনে হাবিবের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাফায়াত হোসেন, মাস্টারদা সূর্য সেন হল সংসদের ভিপি মো. তাজীম ইবনে হাবিব, এ এফ রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) তামিম চৌধুরীসহ সূর্য সেন হলের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।এ উদ্যোগের জন্য সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতারা।শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সাঈদ আল নোমান এমপির এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীবান্ধব এমন উদ্যোগের জন্য তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাফায়াত হোসেন বলেন, ‘সাঈদ আল নোমান ভাইয়ের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া উদ্যোগগুলো শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সারাজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকুক।’

অনলাইন জরিপ
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৯ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !