বিপ্লবী বার্তা
সাভারে ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করলেন ভূমি সচিব

সাভারে ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করলেন ভূমি সচিব

ভূমিসেবা আরও সহজ, আধুনিক ও জনবান্ধব করতে সাভারে সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টায় তিনি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন জমি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জানান, সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পটি ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে।তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস একই ভবনে স্থানান্তর করা হবে। ফলে ভূমি জরিপ, নামজারি (মিউটেশন) এবং অন্যান্য ভূমিসেবা এক ছাদের নিচেই সহজে পাবেন সাধারণ মানুষ।স্থান পরিদর্শন শেষে সিনিয়র সচিব সাভার উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে কর্মকর্তাদের যথাসময়ে উপস্থিতি এবং অফিসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।পরিদর্শনকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং সাধারণ দাবির শতভাগ আদায় সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সিনিয়র সচিব মিউটেশনসহ সব ধরনের ভূমিসেবা হয়রানিমুক্ত, দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেন।পরে তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের চলমান হোল্ডিং ও খতিয়ান ডেটা এন্ট্রি এবং তথ্য সংশোধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহযোগিতায় দেশের সব হোল্ডিং ও খতিয়ানের তথ্য ডিজিটাল ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত এবং বিদ্যমান ত্রুটি সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে।তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আটটি জেলায় পাইলট কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেটা এন্ট্রির কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এতে ভূমিসেবা আরও সহজ, স্বয়ংক্রিয় ও জনবান্ধব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি আমিনবাজার উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। সেখানে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের অগ্রগতি ও সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন।এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, আমিনবাজারে সাধারণ দাবির ৮৮ শতাংশ ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হয়েছে। সিনিয়র সচিব শতভাগ কর আদায় নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি মিউটেশনসহ সব ধরনের ভূমিসেবা যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

আফতাবনগরে ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্নহত্যা

আফতাবনগরে ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্নহত্যা

রাজধানীর আফতাবনগরের একটি আবাসিক ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে মনিকা (২৬) নামে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে আফতাবনগরের ডমিনেন্ট মুন প্লাজা ভবনে এ ঘটনা ঘটে।জানা যায় নিহত মনিকা ও তার স্বামী প্রায় তিন বছর ধরে ভবনটির কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাদের একটি ৭ বছর বয়সী সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় মনিকার স্বামী দুই দিনের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ছিলেন।মনিকার বোন মৌ জানান, বিকেলে মনিকা ভবনের তিনতলায় চাবি আনতে যান। প্রায় ১০ মিনিট পার হলেও তিনি ফিরে না আসায় খোঁজ করতে বের হন মৌ। তিনতলায় না পেয়ে তিনি ছাদে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তার বোন ছাদ থেকে নিচে লাফ দিচ্ছেন।মৌ আরও জানান, মনিকা কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। ঘটনার সময় বাসায় মনিকা, তার বোন মৌ অবস্থান করছিলেন।খবর পেয়ে বাড্ডা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থলে এসআই কবির হোসেন পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানায়, থানার  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।এসআই কবির হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।পুলিশের তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক, কী আছে ১৪ দফায়?

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক, কী আছে ১৪ দফায়?

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্মারকটিতে যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল, জব্দ সম্পদ মুক্ত করা এবং পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির বিষয়ে তেহরানের প্রতিশ্রুতিসহ মোট ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্মারকের বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তবে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নথিতে উল্লেখ করা হয়নি বলে জানা গেছে।স্মারকের উল্লেখযোগ্য ধারাগুলো হলো, চুক্তি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের মিত্ররা সব ধরনের সামরিক সংঘাত ও যুদ্ধ কার্যক্রম বন্ধ করবে। লেবানন-সংশ্লিষ্ট সংঘাতও এর আওতায় থাকবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে শক্তি প্রয়োগ বা হামলার হুমকি থেকেও বিরত থাকার অঙ্গীকার করা হয়েছে।উভয় দেশ একে অপরের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করবে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। দুই পক্ষ ৬০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে। প্রয়োজন হলে পারস্পরিক সম্মতিতে সময়সীমা বাড়ানো যাবে।চুক্তির পর ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।ইরান দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করবে। বাণিজ্যিক নৌপরিবহন নির্বিঘ্ন রাখতে মাইন অপসারণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক অংশীদাররা ইরানের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করবে।চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের ওপর আরোপিত জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা হবে।ইরান অঙ্গীকার করবে যে তারা কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তবে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামসহ অন্যান্য পারমাণবিক বিষয় চূড়ান্ত আলোচনায় নির্ধারিত হবে।চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বর্তমান পারমাণবিক কর্মসূচি অপরিবর্তিত থাকবে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা অতিরিক্ত সামরিক মোতায়েন করবে না।ইরানের অপরিশোধিত তেল, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং, বীমা ও পরিবহন খাতের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে।আলোচনায় অগ্রগতির ভিত্তিতে ইরানের জব্দ অর্থ ও সম্পদ ধাপে ধাপে মুক্ত করে দেওয়া হবে।চূড়ান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন এবং এর ধারাগুলোর যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করতে একটি যৌথ তদারকি কাঠামো গঠন করা হবে।বর্তমান সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর অবশিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনায় বসবে উভয় দেশ। চূড়ান্ত চুক্তিকে বাধ্যতামূলক প্রস্তাব হিসেবে অনুমোদনের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপন করা হবে।বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে চুক্তির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও চূড়ান্ত আলোচনার ওপর নির্ভরশীল।

সাভারে ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করলেন ভূমি সচিব

সাভারে ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করলেন ভূমি সচিব

ভূমিসেবা আরও সহজ, আধুনিক ও জনবান্ধব করতে সাভারে সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টায় তিনি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন জমি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জানান, সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পটি ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে।তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস একই ভবনে স্থানান্তর করা হবে। ফলে ভূমি জরিপ, নামজারি (মিউটেশন) এবং অন্যান্য ভূমিসেবা এক ছাদের নিচেই সহজে পাবেন সাধারণ মানুষ।স্থান পরিদর্শন শেষে সিনিয়র সচিব সাভার উপজেলা ভূমি অফিস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে কর্মকর্তাদের যথাসময়ে উপস্থিতি এবং অফিসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।পরিদর্শনকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং সাধারণ দাবির শতভাগ আদায় সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সিনিয়র সচিব মিউটেশনসহ সব ধরনের ভূমিসেবা হয়রানিমুক্ত, দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেন।পরে তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের চলমান হোল্ডিং ও খতিয়ান ডেটা এন্ট্রি এবং তথ্য সংশোধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহযোগিতায় দেশের সব হোল্ডিং ও খতিয়ানের তথ্য ডিজিটাল ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত এবং বিদ্যমান ত্রুটি সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে।তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আটটি জেলায় পাইলট কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেটা এন্ট্রির কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এতে ভূমিসেবা আরও সহজ, স্বয়ংক্রিয় ও জনবান্ধব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি আমিনবাজার উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন। সেখানে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের অগ্রগতি ও সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন।এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, আমিনবাজারে সাধারণ দাবির ৮৮ শতাংশ ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হয়েছে। সিনিয়র সচিব শতভাগ কর আদায় নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি মিউটেশনসহ সব ধরনের ভূমিসেবা যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট / বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞ ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম শেষেই নিজ নিজ দেশের ক্যাম্পে যোগ দেবেন ফুটবলাররা। ১০৪ ম্যাচের এই দীর্ঘ বিশ্বযুদ্ধের বেশিরভাগ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকার মাটিতে।বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফুটবলারদের বিশ্রাম, পুষ্টি ও অনুশীলনের সুবিধা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি দলই ম্যাচ ভেন্যুর কাছাকাছি বেছে নিয়েছে নিজেদের বেস ক্যাম্প। তারকা ফুটবলারদের জন্য এসব ক্যাম্পে থাকছে আধুনিক পারফরম্যান্স ল্যাব, জিমনেসিয়াম ও বিলাসবহুল আবাসন ব্যবস্থা।পাঠকদের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের দলগুলোর বেস ক্যাম্প, অনুশীলনের ভেন্যু এবং গ্রুপ পর্বের ম্যাচের সময়সূচি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী দলসমূহআর্জেন্টিনা (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন)অবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: স্পোর্টিং কেসি পারফরম্যান্স সেন্টারআবাসন: হোটেল সেভয়, কানসাস সিটিআলজেরিয়া (১৬ জুন, কানসাস সিটি), অস্ট্রিয়া (২২ জুন, ডালাস), জর্ডান (২৭ জুন, ডালাস)।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ক্যাম্পে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের দোহা ক্যাম্পের মতোই এখানেও আলবিসেলেস্তেদের জন্য থাকছে তাদের ঐতিহ্যবাহী 'বার্বিকিউ মাংস' রান্নার বিশেষ কাস্টমাইজড সুবিধা। হোটেল থেকে অনুশীলন মাঠের দূরত্ব ২০ মিনিটেরও কম।ব্রাজিলঅবস্থান: নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সিঅনুশীলন: কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং施設 (নিউ জার্সি)আবাসন: রিজ হোটেল, নিউ ইয়র্ক সিটিম্যাচের সূচি: মরক্কো (১৩ জুন, নিউ জার্সি), হাইতি (১৯ জুন, ফিলাডেলফিয়া), স্কটল্যান্ড (২৪ জুন, মায়ামি)।পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা থাকার জন্য বেছে নিয়েছে ঝলমলে নিউ ইয়র্ক সিটি ('বিগ অ্যাপেল')। তবে তারা অনুশীলন করবে পার্শ্ববর্তী নিউ জার্সিতে এমএলএস দল নিউ ইয়র্ক রেড বুলসের সর্বাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে।জার্মানিঅবস্থান: উইনস্টন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনাঅনুশীলন: ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়াম)আবাসন: দ্য গ্রেলাইন এস্টেটম্যাচের সূচি: কুরাসাও (১৪ জুন, হিউস্টন), আইভরি কোস্ট (২০ জুন, টরন্টো), ইকুয়েডর (২৫ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।চারবারের চ্যাম্পিয়নরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে বিলাসবহুল বুটিক হোটেল গ্রেলাইন এস্টেট বেছে নিয়েছে। ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির এই স্টেডিয়ামটি আমেরিকার অন্যতম সেরা কলেজিয়েট ফুটবল ভেন্যু। এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের কোনো সুযোগ থাকবে না।ফ্রান্সঅবস্থান: ওয়ালথাম, ম্যাসাচুসেটসঅনুশীলন: বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়আবাসন: ফোর সিজনস হোটেল, বোস্টনম্যাচের সূচি: সেনেগাল (১৬ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি), ইরাক (২২ জুন, ফিলাডেলফিয়া), নরওয়ে (২৬ জুন, বোস্টন)।বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফরাসি দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কোনো ব্যাঘাত ছাড়াই চলবে।ইংল্যান্ডঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: সোয়াপ সকার সেন্টারআবাসন: দ্য ইন অ্যাট মেডোব্রুকম্যাচের সূচি: ক্রোয়েশিয়া (১৭ জুন, ডালাস), ঘানা (২৩ জুন, বোস্টন), পানামা (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।হ্যারিকেনদের হোটেলটি তাদের অনুশীলন মাঠ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। কানসাস সিটিতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসও ঘাঁটি গেড়েছে।পর্তুগালঅবস্থান: পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডাঅনুশীলন: গার্ডেন নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টস পার্কআবাসন: ফোর সিজনস হোটেলম্যাচের সূচি: ডিআর কঙ্গো (১৭ জুন, হিউস্টন), উজবেকিস্তান (২৩ জুন, হিউস্টন), কলম্বিয়া (২৮ জুন, মায়ামি)।১০টি মাঠের এই বিশাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল অনুশীলন করবে। এর আগে এখানে রিয়াল মাদ্রিদ দল ক্লাব বিশ্বকাপের সময় অনুশীলন করেছিল।স্পেনঅবস্থান: চ্যাটানুগা, টেনেসিঅনুশীলন: বেলর স্কুলআবাসন: দ্য অ্যাম্বাসি সুইটসম্যাচের সূচি: কেপ ভার্দে (১৫ জুন, আটলান্টা), সৌদি আরব (২১ জুন, আটলান্টা), উরুগুয়ে (২৬ জুন, গুয়াদালাহারা)।চ্যাটানুগার একটি অভিজাত ব্যক্তিগত স্কুলে অবস্থান করবে স্পেন। দলের শতভাগ গোপনীয়তা বজায় রাখতে বেলর স্কুল তাদের ক্যাম্পাসে ১০ ফুটের ব্ল্যাকআউট বেষ্টনী তৈরি করেছে।নেদারল্যান্ডসঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: কেসি কারেন্ট ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হোটেল কানসাস সিটিম্যাচের সূচি: জাপান (১৪ জুন, ডালাস), সুইডেন (২০ জুন, হিউস্টন), তিউনিসিয়া (২৫ জুন, কানসাস সিটি)।ডাচরা আমেরিকার প্রথম বিশেষায়িত নারী পেশাদার ক্রীড়া দলের (কানসাস সিটি কারেন্ট) কমপ্লেক্সে অনুশীলন করবে। ঐতিহ্যবাহী 'কমলা ডাবল-ডেকার বাস' নিয়ে এবারও মাতবেন ডাচ সমর্থকরা।বেলজিয়ামঅবস্থান: রেন্টন, ওয়াশিংটনঅনুশীলন: সিয়াটল সাউন্ডার্স ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হায়াত রিজেন্সি, সিয়াটলম্যাচের সূচি: মিশর (১৫ জুন, সিয়াটল), ইরান (২১ জুন, লস অ্যাঞ্জেলেস), নিউজিল্যান্ড (২৬ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।ইতালি/অন্যান্য ইউরোপীয় দলসমূহ:ক্রোয়েশিয়া: অবস্থান ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া (এপিসকোপাল হাই স্কুল)। ম্যাচের সূচি: ইংল্যান্ড (১৭ জুন), পানামা (২৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্র (২৭ জুন)।অস্ট্রিয়া: অবস্থান সান্টা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেলের নাম রিৎজ-কার্লটন।সুইডেন: ফ্রিসকো, টেক্সাস (এফসি ডালাস স্টেডিয়াম)। ১৮২ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সংস্কার করা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে তারা।সুইজারল্যান্ড: সান ডিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেল থেকে একাডেমির দূরত্ব মাত্র ৮ মিনিট।চেক প্রজাতন্ত্র: ম্যানসফিল্ড, টেক্সাস (ম্যানসফিল্ড মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম)।এশিয়ান ও আফ্রিকান পরাশক্তিদের ক্যাম্প:জাপান: অ্যান্টিওক, টেনেসি (ন্যাশভিল এসসি ভ্যান্ডারবিল্ট হেলথ ট্রেনিং সেন্টার)।সৌদি আরব: অস্টিন, টেক্সাস (অস্টিন এফসি স্টেডিয়াম)। ২০৩৪ বিশ্বকাপের একক আয়োজক দেশটি থাকবে অস্টিনের ফোর সিজনস হোটেলে।মিশর: স্পোকেন, ওয়াশিংটন (গনজাগা বিশ্ববিদ্যালয়)। মোহাম্মদ সালাহর দল মূলত পশ্চিম উপকূল কেন্দ্রিক ম্যাচগুলো খেলবে।আইভরি কোস্ট: চেস্টার, পেনসিলভানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন সুবারু পার্ক)।সেনেগাল: পিসকাটাওয়ে, নিউ (রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়)।ঘানা: স্মিথফিল্ড, রোড আইল্যান্ড (ব্রায়ান্ট বিশ্ববিদ্যালয়)।উজবেকিস্তান (নবাগত): ম্যারিয়েটা, জর্জিয়া (আটলান্টা ইউনাইটেড ট্রেনিং সেন্টার)।ইরাক: হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া (দ্য গ্রিনব্রিয়ার রিসোর্ট)। যেখানে পূর্বে ২৮ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবস্থান করেছেন, সেই রাজকীয় রিসোর্টে থাকবে ইরাক দল।আলজেরিয়া: লরেন্স, কানসাস (কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়)।লাতিন ও উত্তর আমেরিকার অন্যান্য দল:যুক্তরাষ্ট্র (স্বাগতিক): আরভাইন, ক্যালিফোর্নিয়া (গ্রেট পার্ক স্পোর্টস কমপ্লেক্স)। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বিমানঘাঁটিতে তৈরি এই ক্যাম্পকে 'অনবদ্য' আখ্যা দিয়েছেন ইউএস সকারের ডিরেক্টর।অস্ট্রেলিয়া: ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া (ক্লেয়ারমন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড ক্লাব)।প্যারাগুয়ে: সান জোসে, ক্যালিফোর্নিয়া (সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি)।ইকুয়েডর: কলম্বাস, ওহিও (কলম্বাস ক্রু পারফরম্যান্স সেন্টার)।ডিআর কঙ্গো: হিউস্টন, টেক্সাস (হিউস্টন স্পোর্টস পার্ক)।কেপ ভার্দে (নবাগত): টাম্পা, ফ্লোরিডা (ওয়াটার্স স্পোর্টসপ্লেক্স)।কুরাসাও (নবাগত): পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডা (ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়)।জর্ডান (নবাগত): পোর্টল্যান্ড, ওরেগন (পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়)।মেক্সিকো (স্বাগতিক)অবস্থান: মেক্সিকো সিটিপ্রশিক্ষণ ও আবাসন: সেন্ট্রো ডি আল্টো রেন্ডিমিয়েন্টো (CAR)ম্যাচের সূচি: দক্ষিণ আফ্রিকা (১১ জুন, মেক্সিকো সিটি), দক্ষিণ কোরিয়া (১৮ জুন, গুয়াদালাহারা), চেকিয়া (২৪ জুন, মেক্সিকো সিটি)।মেক্সিকো তাদের নিজেদের ঘরের মাঠের আবহ এবং উচ্চতার সুবিধা (Altitude Advantage) শতভাগ কাজে লাগাতে রাজধানীতেই ক্যাম্প করেছে। এই হাই-পারফরম্যান্স কেন্দ্রটি ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে, যা একই সাথে খেলোয়াড়দের থাকা ও অনুশীলনের জায়গা হিসেবে কাজ করবে।কলম্বিয়াঅবস্থান: গুয়াদালাহারা, মেক্সিকোঅনুশীলন: অ্যাটলাস এজিএ একাডেমিআবাসন: গ্র্যান্ড ফিয়েস্তা আমেরিকানা কান্ট্রি ক্লাবউজবেকিস্তান (১৭ জুন, মেক্সিকো সিটি), ডিআর কঙ্গো (২৩ জুন, গুয়াদালাহারা), পর্তুগাল (২৭ জুন, মায়ামি)।বিশেষত্ব: ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা এই আধুনিক পারফরম্যান্স সেন্টারে ছয়টি পেশাদার মাঠ এবং স্পোর্টস সায়েন্স মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।মেক্সিকোর অন্যান্য ক্যাম্প:দক্ষিণ কোরিয়া: গুয়াদালাহারা (চিভাস ভার্দে ভালে)। উচ্চতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এই শহরটিকে বেছে নিয়েছে তারা।দক্ষিণ আফ্রিকা: পাচুকা (ইউনিভার্সিদাদ দেল ফুটবল)। এখানে একটি ফিফা-সার্টিফাইড মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।তিউনিসিয়া: মনটেনি (এল বারিয়াল ট্রেনিং সেন্টার)। লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রিমিয়াম ফুটবল সুবিধা এটি।প্লেয়া ডেল কারমেন, কুইন্টানা রু (মায়াকোবা ট্রেনিং সেন্টার)। বিমানবন্দর ও হোটেলের কাছাকাছি বিলাসবহুল রিসোর্ট সিটিতে থাকবে সুয়ারেজ-ভালভার্দের দেশ।কানাডা অবস্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়াঅনুশীলন: ন্যাশনাল সকার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারআবাসন: দ্য ওয়েস্টিন বেশোর, ভ্যাঙ্কুভারম্যাচের সূচি: বসনিয়া (১২ জুন, টরন্টো), কাতার (১৮ জুন, ভ্যাঙ্কুভার), সুইজারল্যান্ড (২৪ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।স্বাগতিক দেশের সুবিধা নিয়ে কানাডা ভ্যাঙ্কুভারে বেস ক্যাম্প করেছে। গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচের ২টিই তারা ঘরের মাঠে খেলবে।পানামাঅবস্থান: নিউ টেকুমসেথ, ওন্টারিওঅনুশীলন: নোটাওয়াসাগা ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: নোটাওয়াসাগা রিসোর্ট অ্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারম্যাচের সূচি: ঘানা (১৭ জুন, টরন্টো), ক্রোয়েশিয়া (২৩ জুন, টরন্টো), ইংল্যান্ড (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।কানাডা নিজেদের দল ছাড়া একমাত্র পানামাকেই তাদের দেশের মাটিতে বেস ক্যাম্প করার অনুমতি দিয়েছে।ইরানঅবস্থান: তিজুয়ানা, মেক্সিকো (যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের ঠিক বিপরীতে)ম্যাচের সূচি: নিউজিল্যান্ড (১৫ জুন), বেলজিয়াম (২১ জুন), মিশর (২৬ জুন)।রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে ইরানের বিশ্বকাপ ক্যাম্প নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দলটিকে স্বাগত জানালেও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে নির্বিঘ্নে অনুশীলনের জন্য আমেরিকার সান ডিয়েগোর ঠিক বিপরীতে মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইরান ফুটবল ফেডারেশন, যা ফিফা কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।সব মিলিয়ে ফুটবলারদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে আয়োজক শহরগুলো এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মাঠের লড়াইয়ে কোন ক্যাম্পের কৌশল কতটা কাজে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

চাকরি

কোন পোস্ট নেই !
চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে ইবির বৈবিছা'র নেতা

চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে ইবির বৈবিছা'র নেতা

পোষ্য কোটা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ।​শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে তিনি এই অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।বাঁধন বিশ্বাসের চার দফা দাবিগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ বন্ধ করা, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সকল ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানো।এসময় প্রশাসন ভবন গেটে  "যোগ্যতার জয় হোক পশু কোটা রোধ হোক," "অযৌক্তিক ভর্তি ফি, বাতিল চায় বাতিল চাই," "অযৌক্তিক স্টেশন ফি, বাতিল চাই বাতিল চাই," সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি, বাতিল চায় বাতিল চাই," লেখা যুক্ত পোস্টার দেখা যায়।অনশনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, আজকে আমি প্রশাসনের বিরুদ্ধে চার দফা  দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করতেছি। আমাদের জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিতে। দাবি আদায় না হওয়ায় পরবর্তীতে এটি সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। আমাদের প্রায় ১৪০০ প্লাস ভাইবোনকে শহিদ করা হয়েছে। এবং ২২ হাজার প্লাস ভাইবোনকে আহত হয়েছিল। পরবর্তীতে আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করি। কিন্তু তার পরবর্তী প্রশাসন অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু যে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের যে সিন্ডিকেট, সেই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেনি। বর্তমান প্রশাসনের কাছে দাবি এ পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং অযৌক্তিক ফি-গুলো কমাতে হবে।এছাড়াও তিনি বলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে হয়রানি করা হয় শিক্ষার্থীদের। কোনো কাজে গেলেই শিক্ষার্থীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা বাপ-মা তুলে গালিগালাজ করে। এটাও যেন না করা হয়। সার্টিফিকেট উত্তলনে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়। সে হয়রানি গুলো বন্ধ করতে হবে। এ চার দফা দাবি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

অনলাইন জরিপ
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !