বিপ্লবী বার্তা
সর্বশেষ
৭ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ১২ নভেম্বর

৭ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ১২ নভেম্বর

সারাদেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সাত ধাপে আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকারের এই বৃহৎ নির্বাচন কার্যক্রম। শেষ ধাপের ভোট হবে আগামী বছরের ২৭ মে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সাতটি ধাপে সম্পন্ন করা হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর। দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।এরপর আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সর্বশেষ সপ্তম ধাপে ২৭ মে ভোট নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।প্রথম ধাপের নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে দেশের ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদকে প্রথম ধাপের আওতায় রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব ইউনিয়নে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সারাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।তবে এখনো পুরো তফসিল চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান তিনি। কমিশনের বৈঠকে এসব বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী কার্যক্রমের তৃতীয় ধাপে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপে বসবে ইসি। সেখানে নির্বাচন আয়োজন, পরিবেশ, অংশগ্রহণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হবে।

৭ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ১২ নভেম্বর

৭ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ১২ নভেম্বর

সারাদেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সাত ধাপে আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকারের এই বৃহৎ নির্বাচন কার্যক্রম। শেষ ধাপের ভোট হবে আগামী বছরের ২৭ মে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সাতটি ধাপে সম্পন্ন করা হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর। দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।এরপর আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সর্বশেষ সপ্তম ধাপে ২৭ মে ভোট নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।প্রথম ধাপের নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে দেশের ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদকে প্রথম ধাপের আওতায় রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব ইউনিয়নে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সারাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।তবে এখনো পুরো তফসিল চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান তিনি। কমিশনের বৈঠকে এসব বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী কার্যক্রমের তৃতীয় ধাপে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপে বসবে ইসি। সেখানে নির্বাচন আয়োজন, পরিবেশ, অংশগ্রহণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হবে।

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ / নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এক করুণ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ের ওপর থেকে ধেয়ে আসা প্রবল বানের তোড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ছয়শো মানুষ।মৃত্যুর এই তালিকার পাশাপাশি এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধারে কাজ করছেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী।এই প্রলয়ংকরী ঘটনার সূত্রপাত হয় হিমালয়ের বুক চিরে আসা নদীর পানি হঠাৎ তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা আকস্মিক ঢলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ভূমিধসের কাদা এবং পাথর এক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে। বানের পানির এই তীব্র শক্তি তার গতিপথে থাকা বাড়িঘর, সেতু, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ যাবতীয় অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র এবং পবিত্র স্থানগুলোতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু ও তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটেছিল। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে তাদের একটি বড় অংশ আটকা পড়েন কিংবা ভেসে যান, যার ফলে বহু ভিন্ন দেশের নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী তিব্বত অঞ্চলেও। সেখানেও বহু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

দিরাইয়ে টিআর প্রকল্পে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তিন মাসেও শুরু হয়নি অধিকাংশ কাজ

দিরাইয়ে টিআর প্রকল্পে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তিন মাসেও শুরু হয়নি অধিকাংশ কাজ

সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরসভা এলাকায় গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) নগদ অর্থ কর্মসূচির আওতায় ৩৫টি উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অর্থবছরের শেষ দিকে অধিকাংশ প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দের অর্ধেক টাকা প্রকল্প সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হিসাবে পরিশোধ করা হলেও টাকা পাওয়ার প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। এতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।সরেজমিনে দিরাই পৌরসভার কয়েকটি প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তালিকাভুক্ত প্রকল্পের অনেকগুলোর কাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। কয়েকটি প্রকল্পের সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বললে তারা বরাদ্দের টাকা পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও কবে কাজ শুরু বা শেষ করবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্মারক নং-বাজাস/সঃসঃ/২০২৬/০০৩১, তারিখ ১৪ মে ২০২৬-এর তালিকা অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) নগদ অর্থ কর্মসূচির আওতায় দিরাই-শাল্লা নির্বাচনী এলাকার ১ম পর্যায়ের বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পগুলো নির্ধারণ করা হয়। সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী প্রকল্পের তালিকা দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজিব সরকারের কাছে পাঠান। পরে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রকল্পগুলোর অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়। তালিকায় দিরাই পৌরসভা এলাকায় রাস্তা নির্মাণ, সংস্কার, মাটি ভরাট, সিসিকরণ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, কবরস্থান, শ্মশানঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।তালিকায় আরও রয়েছে দিরাই-শ্যামারচর সড়ক থেকে ভরারগাঁও শিলবাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, কনাইকাড়া থেকে নতুন বাগবাড়ি পুকুরপাড় পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, মাদানি মহল্লার (লামাহাটি) মসজিদ উন্নয়ন, দিরাই উপজেলা অফিসার্স ক্লাব উন্নয়ন, উপজেলা পরিষদ কলোনির সামনের পুকুরপাড়ের জরাজীর্ণ ঘাটলা সংস্কার, চণ্ডিপুর টিপু মিয়ার বাড়ি থেকে হাফিজ উল্লাহর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সিসিকরণ ও মাটি ভরাট, পূর্ব দিরাই বক্ত বাবুর দোকান থেকে পালহাটি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, দোওজ পাকা রাস্তা থেকে জসিম মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সিসিকরণ ও মাটি ভরাট, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উন্নয়ন, রাধানগর হাজী এমদাদ উল্লাহ মহাজিরে মক্কী ইসলামিয়া মাদ্রাসার উন্নয়ন, পূর্ব দিরাই শ্রী শ্রী কালিমন্দির উন্নয়ন, পুরাতন বাগবাড়ি কবরস্থান উন্নয়ন, শুকুরনগর শ্মশানঘাট উন্নয়ন, দিরাই-শাল্লা সড়ক থেকে রাজাপুর গ্রামের রাজীবের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটি ভরাট, মজলিশপুর ঋষিবাড়ি সংলগ্ন কালাচাঁন গাছের চারপাশে মাটি ভরাট এবং হারানপুর কামাল মিয়ার বাড়ি থেকে ইমাম সাহেবের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সিসিকরণ ও মাটি ভরাট।পূর্ব চণ্ডিপুর গুদারাঘাট মসজিদ থেকে খাতুনপুর পর্যন্ত রাস্তা মাটি ভরাট প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটির বেশিরভাগ অংশ শুকনো। তবে কয়েকটি সাঁকো রয়েছে, যেগুলো দিয়ে গ্রামের মানুষ চলাচল করছেন।স্থানীয় আবুল খয়ের বলেন,আমরা শুনেছি এমপি সাহেব এখানে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। যারা কাজ পেয়েছেন তারা অর্ধেক টাকা তুলে এনেছেন। কিন্তু এখনো কাজ করছেন না। গ্রামের বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের জন্য সাঁকো পারাপার অনেক কঠিন। আমরা ভেবেছিলাম রাস্তার কাজ হলে আমাদের দুর্ভোগ কিছুটা কমবে।তিনি অভিযোগ করেন, প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আওয়ামী লীগের লোকজন থাকায় কাজটি বিলম্বিত হচ্ছে।চণ্ডিপুর টিপু মিয়ার বাড়ি থেকে হাফিজ উল্লাহর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সিসিকরণ ও মাটি ভরাট প্রকল্পে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। প্রকল্প কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অর্ধেক টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করেন। তবে টাকা পাওয়ার প্রায় আড়াই মাস পরও কাজ শুরু না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন বলে মন্তব্য করেন। কবে কাজ শেষ করবেন-এমন প্রশ্নেরও তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি।দোওজ পাকা রাস্তা থেকে জসিম মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সিসিকরণ ও মাটি ভরাট প্রকল্পে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রস্তাবিত রাস্তার সুবিধা মূলত একটি পরিবারের বাড়িতে যাওয়ার পথেই সীমাবদ্ধ। এ কারণে সরকারি অর্থে এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।দিরাই পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বলেন,এটা গ্রামের মানুষের কোনো উপকারে আসবে না। একজন মানুষের বাড়ির রাস্তা সরকারের টাকায় করতে হবে কেন? ইতোমধ্যে দেড় লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সেখানে ২০-৩০ হাজার টাকার কাজ হয়েছে। বাকি কাজ হবে কি না, কেউ বলতে পারছে না।পৌরসভার সাতটি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পর স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, তালিকাভুক্ত ৩৫টি প্রকল্পের মধ্যে প্রায় ৩০টির কাজ এখনো শুরু হয়নি। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কাজ শুরু না হলে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় নাও হতে পারে।দিরাই পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন,দিরাই-শাল্লার সংসদ সদস্য আমাদের বর্ষীয়ান নেতা নাছির উদ্দিন চৌধুরী বর্তমানে অসুস্থ। তাঁর মাধ্যমে যে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এসেছে, আমরা দেখছি সেসব প্রকল্পের অনেক কাজ হয়নি। আমি পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হয়েও জানি না এমপি বরাদ্দের কাজ কোথায় হয়েছে। পরে আমরা তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করে কাজের তালিকা সংগ্রহ করি।তিনি আরও বলেন,তালিকা পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি আমাদের বলেছেন, প্রকল্পের অর্ধেক টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের দাবি, এসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। জনগণের টাকার কাজ না হলে আমরা সেটা মেনে নেব না। কাজ না হলে সরকার প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।দিরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুমন মিয়া বলেন,আমরা যখন জানতে পারলাম এমপি মহোদয় পৌরসভায় কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন, তখন কোথায় কী বরাদ্দ হয়েছে তা জানতাম না। পরে উপজেলা বিএনপি আমাকে তথ্য অধিকার আইনে কাজের তালিকা সংগ্রহের দায়িত্ব দেয়। আবেদন করার পর ইউএনও অফিস থেকে তালিকাটি দেওয়া হয়।দিরাই উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মইন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক বলেন,আমাদের দল ও সরকার দেশে দুর্নীতি কমাতে চায়। আমাদের দিরাই-শাল্লার এমপি মহোদয় সারা জীবন দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। আমরা আশা করি, তিনি যে প্রকল্পগুলো দিয়েছেন সেগুলোর কাজ সঠিকভাবে হবে। কাদের প্রকল্প দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের অভিযোগ নেই। তবে বরাদ্দ দেওয়া অর্থের বিপরীতে কাজ অবশ্যই হতে হবে।স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় তাঁর নাম ব্যবহার করে একটি ‘সিন্ডিকেট’ সক্রিয় হয়েছে। তাদের দাবি, এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের কেউ কেউ রয়েছেন।তাদের ভাষ্য, নাছির উদ্দিন চৌধুরী দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর অসুস্থতার সুযোগে কেউ যেন তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজিব সরকার বলেন,এমপি মহোদয় আমাদের কাছে প্রকল্পের তালিকা ও কমিটি দিয়েছেন। আমরা সে অনুযায়ী বরাদ্দ দিয়েছি। অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কাজের শুরুতে অর্ধেক টাকা পরিশোধের বিধান রয়েছে। তাই আমরা অর্ধেক টাকা পরিশোধ করেছি।কাজ শুরু না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও বলেন,বরাদ্দ ও প্রকল্পে কিছু সংশোধনী এমপি মহোদয় দেবেন। এরপর কাজ হবে তবে বরাদ্দের টাকা পাওয়ার পরও কেন তিন মাস ধরে অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি-এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকল্পভিত্তিক অগ্রগতি বা নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।

বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট / বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞ ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম শেষেই নিজ নিজ দেশের ক্যাম্পে যোগ দেবেন ফুটবলাররা। ১০৪ ম্যাচের এই দীর্ঘ বিশ্বযুদ্ধের বেশিরভাগ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকার মাটিতে।বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফুটবলারদের বিশ্রাম, পুষ্টি ও অনুশীলনের সুবিধা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি দলই ম্যাচ ভেন্যুর কাছাকাছি বেছে নিয়েছে নিজেদের বেস ক্যাম্প। তারকা ফুটবলারদের জন্য এসব ক্যাম্পে থাকছে আধুনিক পারফরম্যান্স ল্যাব, জিমনেসিয়াম ও বিলাসবহুল আবাসন ব্যবস্থা।পাঠকদের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের দলগুলোর বেস ক্যাম্প, অনুশীলনের ভেন্যু এবং গ্রুপ পর্বের ম্যাচের সময়সূচি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী দলসমূহআর্জেন্টিনা (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন)অবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: স্পোর্টিং কেসি পারফরম্যান্স সেন্টারআবাসন: হোটেল সেভয়, কানসাস সিটিআলজেরিয়া (১৬ জুন, কানসাস সিটি), অস্ট্রিয়া (২২ জুন, ডালাস), জর্ডান (২৭ জুন, ডালাস)।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ক্যাম্পে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের দোহা ক্যাম্পের মতোই এখানেও আলবিসেলেস্তেদের জন্য থাকছে তাদের ঐতিহ্যবাহী 'বার্বিকিউ মাংস' রান্নার বিশেষ কাস্টমাইজড সুবিধা। হোটেল থেকে অনুশীলন মাঠের দূরত্ব ২০ মিনিটেরও কম।ব্রাজিলঅবস্থান: নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সিঅনুশীলন: কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং施設 (নিউ জার্সি)আবাসন: রিজ হোটেল, নিউ ইয়র্ক সিটিম্যাচের সূচি: মরক্কো (১৩ জুন, নিউ জার্সি), হাইতি (১৯ জুন, ফিলাডেলফিয়া), স্কটল্যান্ড (২৪ জুন, মায়ামি)।পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা থাকার জন্য বেছে নিয়েছে ঝলমলে নিউ ইয়র্ক সিটি ('বিগ অ্যাপেল')। তবে তারা অনুশীলন করবে পার্শ্ববর্তী নিউ জার্সিতে এমএলএস দল নিউ ইয়র্ক রেড বুলসের সর্বাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে।জার্মানিঅবস্থান: উইনস্টন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনাঅনুশীলন: ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়াম)আবাসন: দ্য গ্রেলাইন এস্টেটম্যাচের সূচি: কুরাসাও (১৪ জুন, হিউস্টন), আইভরি কোস্ট (২০ জুন, টরন্টো), ইকুয়েডর (২৫ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।চারবারের চ্যাম্পিয়নরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে বিলাসবহুল বুটিক হোটেল গ্রেলাইন এস্টেট বেছে নিয়েছে। ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির এই স্টেডিয়ামটি আমেরিকার অন্যতম সেরা কলেজিয়েট ফুটবল ভেন্যু। এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের কোনো সুযোগ থাকবে না।ফ্রান্সঅবস্থান: ওয়ালথাম, ম্যাসাচুসেটসঅনুশীলন: বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়আবাসন: ফোর সিজনস হোটেল, বোস্টনম্যাচের সূচি: সেনেগাল (১৬ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি), ইরাক (২২ জুন, ফিলাডেলফিয়া), নরওয়ে (২৬ জুন, বোস্টন)।বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফরাসি দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কোনো ব্যাঘাত ছাড়াই চলবে।ইংল্যান্ডঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: সোয়াপ সকার সেন্টারআবাসন: দ্য ইন অ্যাট মেডোব্রুকম্যাচের সূচি: ক্রোয়েশিয়া (১৭ জুন, ডালাস), ঘানা (২৩ জুন, বোস্টন), পানামা (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।হ্যারিকেনদের হোটেলটি তাদের অনুশীলন মাঠ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। কানসাস সিটিতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসও ঘাঁটি গেড়েছে।পর্তুগালঅবস্থান: পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডাঅনুশীলন: গার্ডেন নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টস পার্কআবাসন: ফোর সিজনস হোটেলম্যাচের সূচি: ডিআর কঙ্গো (১৭ জুন, হিউস্টন), উজবেকিস্তান (২৩ জুন, হিউস্টন), কলম্বিয়া (২৮ জুন, মায়ামি)।১০টি মাঠের এই বিশাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল অনুশীলন করবে। এর আগে এখানে রিয়াল মাদ্রিদ দল ক্লাব বিশ্বকাপের সময় অনুশীলন করেছিল।স্পেনঅবস্থান: চ্যাটানুগা, টেনেসিঅনুশীলন: বেলর স্কুলআবাসন: দ্য অ্যাম্বাসি সুইটসম্যাচের সূচি: কেপ ভার্দে (১৫ জুন, আটলান্টা), সৌদি আরব (২১ জুন, আটলান্টা), উরুগুয়ে (২৬ জুন, গুয়াদালাহারা)।চ্যাটানুগার একটি অভিজাত ব্যক্তিগত স্কুলে অবস্থান করবে স্পেন। দলের শতভাগ গোপনীয়তা বজায় রাখতে বেলর স্কুল তাদের ক্যাম্পাসে ১০ ফুটের ব্ল্যাকআউট বেষ্টনী তৈরি করেছে।নেদারল্যান্ডসঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: কেসি কারেন্ট ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হোটেল কানসাস সিটিম্যাচের সূচি: জাপান (১৪ জুন, ডালাস), সুইডেন (২০ জুন, হিউস্টন), তিউনিসিয়া (২৫ জুন, কানসাস সিটি)।ডাচরা আমেরিকার প্রথম বিশেষায়িত নারী পেশাদার ক্রীড়া দলের (কানসাস সিটি কারেন্ট) কমপ্লেক্সে অনুশীলন করবে। ঐতিহ্যবাহী 'কমলা ডাবল-ডেকার বাস' নিয়ে এবারও মাতবেন ডাচ সমর্থকরা।বেলজিয়ামঅবস্থান: রেন্টন, ওয়াশিংটনঅনুশীলন: সিয়াটল সাউন্ডার্স ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হায়াত রিজেন্সি, সিয়াটলম্যাচের সূচি: মিশর (১৫ জুন, সিয়াটল), ইরান (২১ জুন, লস অ্যাঞ্জেলেস), নিউজিল্যান্ড (২৬ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।ইতালি/অন্যান্য ইউরোপীয় দলসমূহ:ক্রোয়েশিয়া: অবস্থান ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া (এপিসকোপাল হাই স্কুল)। ম্যাচের সূচি: ইংল্যান্ড (১৭ জুন), পানামা (২৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্র (২৭ জুন)।অস্ট্রিয়া: অবস্থান সান্টা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেলের নাম রিৎজ-কার্লটন।সুইডেন: ফ্রিসকো, টেক্সাস (এফসি ডালাস স্টেডিয়াম)। ১৮২ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সংস্কার করা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে তারা।সুইজারল্যান্ড: সান ডিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেল থেকে একাডেমির দূরত্ব মাত্র ৮ মিনিট।চেক প্রজাতন্ত্র: ম্যানসফিল্ড, টেক্সাস (ম্যানসফিল্ড মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম)।এশিয়ান ও আফ্রিকান পরাশক্তিদের ক্যাম্প:জাপান: অ্যান্টিওক, টেনেসি (ন্যাশভিল এসসি ভ্যান্ডারবিল্ট হেলথ ট্রেনিং সেন্টার)।সৌদি আরব: অস্টিন, টেক্সাস (অস্টিন এফসি স্টেডিয়াম)। ২০৩৪ বিশ্বকাপের একক আয়োজক দেশটি থাকবে অস্টিনের ফোর সিজনস হোটেলে।মিশর: স্পোকেন, ওয়াশিংটন (গনজাগা বিশ্ববিদ্যালয়)। মোহাম্মদ সালাহর দল মূলত পশ্চিম উপকূল কেন্দ্রিক ম্যাচগুলো খেলবে।আইভরি কোস্ট: চেস্টার, পেনসিলভানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন সুবারু পার্ক)।সেনেগাল: পিসকাটাওয়ে, নিউ (রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়)।ঘানা: স্মিথফিল্ড, রোড আইল্যান্ড (ব্রায়ান্ট বিশ্ববিদ্যালয়)।উজবেকিস্তান (নবাগত): ম্যারিয়েটা, জর্জিয়া (আটলান্টা ইউনাইটেড ট্রেনিং সেন্টার)।ইরাক: হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া (দ্য গ্রিনব্রিয়ার রিসোর্ট)। যেখানে পূর্বে ২৮ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবস্থান করেছেন, সেই রাজকীয় রিসোর্টে থাকবে ইরাক দল।আলজেরিয়া: লরেন্স, কানসাস (কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়)।লাতিন ও উত্তর আমেরিকার অন্যান্য দল:যুক্তরাষ্ট্র (স্বাগতিক): আরভাইন, ক্যালিফোর্নিয়া (গ্রেট পার্ক স্পোর্টস কমপ্লেক্স)। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বিমানঘাঁটিতে তৈরি এই ক্যাম্পকে 'অনবদ্য' আখ্যা দিয়েছেন ইউএস সকারের ডিরেক্টর।অস্ট্রেলিয়া: ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া (ক্লেয়ারমন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড ক্লাব)।প্যারাগুয়ে: সান জোসে, ক্যালিফোর্নিয়া (সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি)।ইকুয়েডর: কলম্বাস, ওহিও (কলম্বাস ক্রু পারফরম্যান্স সেন্টার)।ডিআর কঙ্গো: হিউস্টন, টেক্সাস (হিউস্টন স্পোর্টস পার্ক)।কেপ ভার্দে (নবাগত): টাম্পা, ফ্লোরিডা (ওয়াটার্স স্পোর্টসপ্লেক্স)।কুরাসাও (নবাগত): পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডা (ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়)।জর্ডান (নবাগত): পোর্টল্যান্ড, ওরেগন (পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়)।মেক্সিকো (স্বাগতিক)অবস্থান: মেক্সিকো সিটিপ্রশিক্ষণ ও আবাসন: সেন্ট্রো ডি আল্টো রেন্ডিমিয়েন্টো (CAR)ম্যাচের সূচি: দক্ষিণ আফ্রিকা (১১ জুন, মেক্সিকো সিটি), দক্ষিণ কোরিয়া (১৮ জুন, গুয়াদালাহারা), চেকিয়া (২৪ জুন, মেক্সিকো সিটি)।মেক্সিকো তাদের নিজেদের ঘরের মাঠের আবহ এবং উচ্চতার সুবিধা (Altitude Advantage) শতভাগ কাজে লাগাতে রাজধানীতেই ক্যাম্প করেছে। এই হাই-পারফরম্যান্স কেন্দ্রটি ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে, যা একই সাথে খেলোয়াড়দের থাকা ও অনুশীলনের জায়গা হিসেবে কাজ করবে।কলম্বিয়াঅবস্থান: গুয়াদালাহারা, মেক্সিকোঅনুশীলন: অ্যাটলাস এজিএ একাডেমিআবাসন: গ্র্যান্ড ফিয়েস্তা আমেরিকানা কান্ট্রি ক্লাবউজবেকিস্তান (১৭ জুন, মেক্সিকো সিটি), ডিআর কঙ্গো (২৩ জুন, গুয়াদালাহারা), পর্তুগাল (২৭ জুন, মায়ামি)।বিশেষত্ব: ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা এই আধুনিক পারফরম্যান্স সেন্টারে ছয়টি পেশাদার মাঠ এবং স্পোর্টস সায়েন্স মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।মেক্সিকোর অন্যান্য ক্যাম্প:দক্ষিণ কোরিয়া: গুয়াদালাহারা (চিভাস ভার্দে ভালে)। উচ্চতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এই শহরটিকে বেছে নিয়েছে তারা।দক্ষিণ আফ্রিকা: পাচুকা (ইউনিভার্সিদাদ দেল ফুটবল)। এখানে একটি ফিফা-সার্টিফাইড মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।তিউনিসিয়া: মনটেনি (এল বারিয়াল ট্রেনিং সেন্টার)। লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রিমিয়াম ফুটবল সুবিধা এটি।প্লেয়া ডেল কারমেন, কুইন্টানা রু (মায়াকোবা ট্রেনিং সেন্টার)। বিমানবন্দর ও হোটেলের কাছাকাছি বিলাসবহুল রিসোর্ট সিটিতে থাকবে সুয়ারেজ-ভালভার্দের দেশ।কানাডা অবস্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়াঅনুশীলন: ন্যাশনাল সকার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারআবাসন: দ্য ওয়েস্টিন বেশোর, ভ্যাঙ্কুভারম্যাচের সূচি: বসনিয়া (১২ জুন, টরন্টো), কাতার (১৮ জুন, ভ্যাঙ্কুভার), সুইজারল্যান্ড (২৪ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।স্বাগতিক দেশের সুবিধা নিয়ে কানাডা ভ্যাঙ্কুভারে বেস ক্যাম্প করেছে। গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচের ২টিই তারা ঘরের মাঠে খেলবে।পানামাঅবস্থান: নিউ টেকুমসেথ, ওন্টারিওঅনুশীলন: নোটাওয়াসাগা ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: নোটাওয়াসাগা রিসোর্ট অ্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারম্যাচের সূচি: ঘানা (১৭ জুন, টরন্টো), ক্রোয়েশিয়া (২৩ জুন, টরন্টো), ইংল্যান্ড (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।কানাডা নিজেদের দল ছাড়া একমাত্র পানামাকেই তাদের দেশের মাটিতে বেস ক্যাম্প করার অনুমতি দিয়েছে।ইরানঅবস্থান: তিজুয়ানা, মেক্সিকো (যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের ঠিক বিপরীতে)ম্যাচের সূচি: নিউজিল্যান্ড (১৫ জুন), বেলজিয়াম (২১ জুন), মিশর (২৬ জুন)।রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে ইরানের বিশ্বকাপ ক্যাম্প নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দলটিকে স্বাগত জানালেও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে নির্বিঘ্নে অনুশীলনের জন্য আমেরিকার সান ডিয়েগোর ঠিক বিপরীতে মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইরান ফুটবল ফেডারেশন, যা ফিফা কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।সব মিলিয়ে ফুটবলারদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে আয়োজক শহরগুলো এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মাঠের লড়াইয়ে কোন ক্যাম্পের কৌশল কতটা কাজে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

দোকান দখল নিয়ে জাবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০

দোকান দখল নিয়ে জাবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০

​জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ছেলেদের আবাসিক হল সংলগ্ন খাবারের দোকান দখলকে কেন্দ্র করে দুইটি হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঘটা এ সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ছাড়া বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছোড়া ইটপাটকেলের আঘাতে আহত হয়েছেন এক শিক্ষক।​আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক-জব্বার হল চত্বর মোড়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট চার দফায় এই সংঘর্ষ চলে।​প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নজরুল হলের সামনে অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ হলের নিয়ন্ত্রণাধীন চারটি খাবারের দোকানে নজরুল হলের শিক্ষার্থীরা তালা লাগাবেন, এমন খবর পেয়ে রবীন্দ্রনাথ হলের শিক্ষার্থীরা ওই দোকানগুলোর সামনে অবস্থান নেন এবং স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় নজরুল হলের শতাধিক শিক্ষার্থী বের হয়ে এলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয় এবং তা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রুপ নেয়।সরেজমিনে দেখা যায়, নজরুল হলের কিছু শিক্ষার্থী রবীন্দ্রনাথ হলের অধীন ওই চারটি খাবারের দোকানের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলেন। এ সময় নজরুল হলের কয়েকজনকে হেলমেট পরা অবস্থায় রড, বাঁশ ও কাঠের টুকরা হাতে দেখা যায়। ভাঙচুর ও হামলার প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ হলের শিক্ষার্থীরা প্রতিহত করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল, বাঁশ, কাঠ ও জুতা নিক্ষেপ করতে থাকে। সংঘর্ষ চলাকালে দুই হল সংসদের নেতারাসহ হলের একাধিক ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির কর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।​খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক জাকির হোসেন, সহকারী প্রক্টর ড. আবদুস সাত্তার এবং নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে প্রশাসনের উপস্থিতিতেই শিক্ষার্থীরা আবারও সংঘর্ষে জড়ান।এ সময় ইটের আঘাতে আহত হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ওয়ার্ডেন ড. মির্জা এ টি এম তানভীর রহমান। তিনি জানান, “একটি ইটের টুকরা এসে আমার চশমায় লাগলে গ্লাস ভেঙে চোখে আঘাত পাই। তবে আঘাত মারাত্মক নয়।”​বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ৫ জন এবং কাজী নজরুল ইসলাম হলের ৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ হলের আহতরা হলেন—আলী আরাফাত (৫৩ ব্যাচ), আদনান আল মাহাদী (৫২ ব্যাচ), রাবিদ (৫২ ব্যাচ), শিমন হোসেন (৫৩ ব্যাচ) এবং মো. আরাফাত (৫৫ ব্যাচ)। এর মধ্যে আলী আরাফাত মাথায় এবং রাবিদ কপালে গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তাঁদের সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে নজরুল হলের আহতরা হলেন—রেদওয়ান (৫২ ব্যাচ), রোহান (৫২ ব্যাচ), কাজী রোকনুজ্জামান (৫৫ ব্যাচ), স্বাধীন (৫৫ ব্যাচ) ও আশরাফুল ইসলাম আবিদ (৫৩ ব্যাচ)। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।​পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট হলের দায়িত্বরত শিক্ষকদের উপস্থিতিতে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলের সামনে ফিরে গিয়ে অবস্থান নেন।সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জাকির হোসেন বলেন, “সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আমরা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি। পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হলে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে উভয় হলের প্রতিনিধি ও প্রশাসনের সমন্বয়ে বৈঠক ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অনলাইন জরিপ
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !