বিপ্লবী বার্তা
সর্বশেষ
চার দিনের সরকারি সফরে রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চার দিনের সরকারি সফরে রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সরকারি সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত টোকিও ও নাগোয়া সফর করবেন তিনি। সফরে মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ২০২৬-৩১ মেয়াদে জাপানের সঙ্গে ১২টি অগ্রাধিকার খাতে ১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্যাকেজের প্রস্তাব প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত প্যাকেজের লক্ষ্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করা।সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সফরের প্রথম দিন জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লিগের সভাপতি তারো আসো, জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন তিনি।সফরের দ্বিতীয় দিন ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেবেন তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নয়ন সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় কমানো এবং জাপান থেকে নেওয়া ঋণের সুদের হার হ্রাসের বিষয়টি। পাশাপাশি চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া এবং নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হবে।সফরের তৃতীয় দিন ২৮ অক্টোবর জাপানের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি), তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান ইউনিক্লো, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো), মিৎসুই অ্যান্ড কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন এবং জেরা। এ ছাড়া জাপানের আরও ১৪টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুটি দলীয় বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।এসব আলোচনায় বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নতুন কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে। একই দিন টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।সফরের শেষ দিন ২৯ অক্টোবর নাগোয়া সফরে গিয়ে টয়োটা মোটর করপোরেশনের মটোমাচি কারখানা এবং টয়োটা কমেমোরেটিভ মিউজিয়াম অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শন করবেন তারেক রহমান। পরে টোকিও ফিরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্যাকেজে পরিবহন ও নগর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার, মাতারবাড়ীসহ সমন্বিত শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র গড়ে তুলতে ৩ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার এবং উৎপাদন ও ইলেকট্রনিকস খাতে ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব রয়েছে।এ ছাড়া জ্বালানি ও সবুজ রূপান্তরে ১ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নে ৯৪০ মিলিয়ন ডলার এবং কৃষি, ওষুধশিল্প, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, ব্লু ইকোনমি, পর্যটন ও ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পসহ অন্যান্য খাতে ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে।পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, সফরে কৃষি, মৎস্যসম্পদ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান পরিবহন, সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হবে। এসব বিষয়ে প্রায় আটটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে তিন থেকে চারটি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরিত হওয়ার পর দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। আসন্ন সফরে জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, বিনিয়োগসংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়গুলোও আলোচনায় থাকবে।স্বাধীনতার পর থেকে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা রয়েছে।এ সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি-স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। সফরের মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, ৯ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৭২

ময়মনসিংহে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, ৯ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৭২

‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে ময়মনসিংহে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ময়মনসিংহ সার্কেলের আয়োজনে র‍্যালি, লিফলেট বিতরণ, সচেতনতামূলক স্টিকার লাগানো এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ময়মনসিংহ জেলায় ১৭৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ১৭২ জন নিহত ও ১৯১ জন আহত হয়েছেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইদুর রহমানদিবসটি উপলক্ষে পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতিস্বরূপ ছয়জন পেশাদার চালককে পুরস্কৃত করা হয়। তাঁরা হলেন মেহেদী হাসান সোহেল, মো. আতিকুল ইসলাম, মো. হাবিবুর রহমান, মো. রাকিবুল হাসান ইমন, রাশিদুল ইসলাম রবিন ও রবিকুল ইসলাম।আলোচনা সভায় ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (পুলিশ) গোলাম মাওলা বলেন, সড়ক পারাপারের সময় অনেক পথচারী যানবাহনের গতিবেগ বিবেচনা না করে হাত উঁচু করে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু দ্রুতগতির যানবাহন সব সময় তাৎক্ষণিকভাবে থামানো সম্ভব হয় না। এ ধরনের অসচেতনতা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে সতর্কতার সঙ্গে রাস্তা পার হতে হবে।নিরাপদ সড়ক ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল কাদির চৌধুরী বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা না গেলে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয়। নিরাপদ সড়কের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের উদ্যোগে গড়ে ওঠা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য শুধু চালকদের দায়ী করলে হবে না। সড়কের অবস্থা, যানবাহনের ফিটনেস, চালকদের দায়িত্বশীলতা এবং পথচারীদের অসচেতনতাসহ বিভিন্ন বিষয় দুর্ঘটনার জন্য দায়ী হতে পারে। বিআরটিএর উপপরিচালক আলী হাসান মিলন বলেন, সড়কে উপযুক্ত যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করা এবং সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করাই দিবসটি উদযাপনের মূল লক্ষ্য। সড়ক আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনে নয়, সারা বছর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে। নিজে নিরাপদ থাকার পাশাপাশি প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ও আপনজনদেরও সচেতন করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরাপদ সড়কব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. সাইদুর রহমান বলেন, সড়ক নিরাপত্তা কোনো একক পক্ষের বিষয় নয়; এটি চালক, যাত্রী, পরিবহনমালিক, শ্রমিক, পথচারী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সম্মিলিত দায়িত্ব। প্রত্যেকে শুধু নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য দিলে অন্য পক্ষের অধিকার ও নিরাপত্তা উপেক্ষিত হয়। এ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সড়কে যানবাহনের সংখ্যাও বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে জনসচেতনতা, যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইদুর রহমান এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইফফাত হাশেম, সহকারী পরিচালক আনিসুর রহমান, মোটরযান পরিদর্শক জহির রাইহান, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (পুলিশ) গোলাম মাওলা, নিরাপদ সড়ক ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল কাদির চৌধুরী, ময়মনসিংহ মোটরযান শ্রমিক সভাপতি নজরুল ইসলামসহ বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারী শ্রমিক মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।আলোচনা সভায় বক্তারা সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং চালক ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ / নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এক করুণ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ের ওপর থেকে ধেয়ে আসা প্রবল বানের তোড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ছয়শো মানুষ।মৃত্যুর এই তালিকার পাশাপাশি এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধারে কাজ করছেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী।এই প্রলয়ংকরী ঘটনার সূত্রপাত হয় হিমালয়ের বুক চিরে আসা নদীর পানি হঠাৎ তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা আকস্মিক ঢলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ভূমিধসের কাদা এবং পাথর এক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে। বানের পানির এই তীব্র শক্তি তার গতিপথে থাকা বাড়িঘর, সেতু, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ যাবতীয় অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র এবং পবিত্র স্থানগুলোতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু ও তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটেছিল। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে তাদের একটি বড় অংশ আটকা পড়েন কিংবা ভেসে যান, যার ফলে বহু ভিন্ন দেশের নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী তিব্বত অঞ্চলেও। সেখানেও বহু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

মুকসুদপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি

মুকসুদপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। র‍্যালিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।বুধবার বিকালে উপজেলার কমলাপুর ব্রিজ এলাকা থেকে আনন্দ র‍্যালিটি বের হয়। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা পৃথক মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন। পরে মিছিলগুলো কলেজ মোড়ে এসে একত্রিত হয়। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।র‍্যালিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচি পালন করেন। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাদের উপস্থিতিতে কর্মসূচিটি নেতাকর্মীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মিছিল গুলো একত্রিত হওয়ায় র‍্যালিতে অংশ গ্রহণকারীদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান, সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম শরীফ, সাবেক পৌর মেয়র সাজ্জাদ করিম মন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাহফুজ হাসান মৃধা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান স্বপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান বিপ্লব, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মিঠু লস্কর, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম লিটন এবং কৃষকদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনটির কর্মসূচিতে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। আনন্দঘন পরিবেশে কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নেতাকর্মীরা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করেন।

বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট / বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞ ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম শেষেই নিজ নিজ দেশের ক্যাম্পে যোগ দেবেন ফুটবলাররা। ১০৪ ম্যাচের এই দীর্ঘ বিশ্বযুদ্ধের বেশিরভাগ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকার মাটিতে।বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফুটবলারদের বিশ্রাম, পুষ্টি ও অনুশীলনের সুবিধা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি দলই ম্যাচ ভেন্যুর কাছাকাছি বেছে নিয়েছে নিজেদের বেস ক্যাম্প। তারকা ফুটবলারদের জন্য এসব ক্যাম্পে থাকছে আধুনিক পারফরম্যান্স ল্যাব, জিমনেসিয়াম ও বিলাসবহুল আবাসন ব্যবস্থা।পাঠকদের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের দলগুলোর বেস ক্যাম্প, অনুশীলনের ভেন্যু এবং গ্রুপ পর্বের ম্যাচের সময়সূচি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী দলসমূহআর্জেন্টিনা (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন)অবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: স্পোর্টিং কেসি পারফরম্যান্স সেন্টারআবাসন: হোটেল সেভয়, কানসাস সিটিআলজেরিয়া (১৬ জুন, কানসাস সিটি), অস্ট্রিয়া (২২ জুন, ডালাস), জর্ডান (২৭ জুন, ডালাস)।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ক্যাম্পে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের দোহা ক্যাম্পের মতোই এখানেও আলবিসেলেস্তেদের জন্য থাকছে তাদের ঐতিহ্যবাহী 'বার্বিকিউ মাংস' রান্নার বিশেষ কাস্টমাইজড সুবিধা। হোটেল থেকে অনুশীলন মাঠের দূরত্ব ২০ মিনিটেরও কম।ব্রাজিলঅবস্থান: নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সিঅনুশীলন: কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং施設 (নিউ জার্সি)আবাসন: রিজ হোটেল, নিউ ইয়র্ক সিটিম্যাচের সূচি: মরক্কো (১৩ জুন, নিউ জার্সি), হাইতি (১৯ জুন, ফিলাডেলফিয়া), স্কটল্যান্ড (২৪ জুন, মায়ামি)।পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা থাকার জন্য বেছে নিয়েছে ঝলমলে নিউ ইয়র্ক সিটি ('বিগ অ্যাপেল')। তবে তারা অনুশীলন করবে পার্শ্ববর্তী নিউ জার্সিতে এমএলএস দল নিউ ইয়র্ক রেড বুলসের সর্বাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে।জার্মানিঅবস্থান: উইনস্টন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনাঅনুশীলন: ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়াম)আবাসন: দ্য গ্রেলাইন এস্টেটম্যাচের সূচি: কুরাসাও (১৪ জুন, হিউস্টন), আইভরি কোস্ট (২০ জুন, টরন্টো), ইকুয়েডর (২৫ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।চারবারের চ্যাম্পিয়নরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে বিলাসবহুল বুটিক হোটেল গ্রেলাইন এস্টেট বেছে নিয়েছে। ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির এই স্টেডিয়ামটি আমেরিকার অন্যতম সেরা কলেজিয়েট ফুটবল ভেন্যু। এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের কোনো সুযোগ থাকবে না।ফ্রান্সঅবস্থান: ওয়ালথাম, ম্যাসাচুসেটসঅনুশীলন: বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়আবাসন: ফোর সিজনস হোটেল, বোস্টনম্যাচের সূচি: সেনেগাল (১৬ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি), ইরাক (২২ জুন, ফিলাডেলফিয়া), নরওয়ে (২৬ জুন, বোস্টন)।বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফরাসি দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কোনো ব্যাঘাত ছাড়াই চলবে।ইংল্যান্ডঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: সোয়াপ সকার সেন্টারআবাসন: দ্য ইন অ্যাট মেডোব্রুকম্যাচের সূচি: ক্রোয়েশিয়া (১৭ জুন, ডালাস), ঘানা (২৩ জুন, বোস্টন), পানামা (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।হ্যারিকেনদের হোটেলটি তাদের অনুশীলন মাঠ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। কানসাস সিটিতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসও ঘাঁটি গেড়েছে।পর্তুগালঅবস্থান: পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডাঅনুশীলন: গার্ডেন নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টস পার্কআবাসন: ফোর সিজনস হোটেলম্যাচের সূচি: ডিআর কঙ্গো (১৭ জুন, হিউস্টন), উজবেকিস্তান (২৩ জুন, হিউস্টন), কলম্বিয়া (২৮ জুন, মায়ামি)।১০টি মাঠের এই বিশাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল অনুশীলন করবে। এর আগে এখানে রিয়াল মাদ্রিদ দল ক্লাব বিশ্বকাপের সময় অনুশীলন করেছিল।স্পেনঅবস্থান: চ্যাটানুগা, টেনেসিঅনুশীলন: বেলর স্কুলআবাসন: দ্য অ্যাম্বাসি সুইটসম্যাচের সূচি: কেপ ভার্দে (১৫ জুন, আটলান্টা), সৌদি আরব (২১ জুন, আটলান্টা), উরুগুয়ে (২৬ জুন, গুয়াদালাহারা)।চ্যাটানুগার একটি অভিজাত ব্যক্তিগত স্কুলে অবস্থান করবে স্পেন। দলের শতভাগ গোপনীয়তা বজায় রাখতে বেলর স্কুল তাদের ক্যাম্পাসে ১০ ফুটের ব্ল্যাকআউট বেষ্টনী তৈরি করেছে।নেদারল্যান্ডসঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: কেসি কারেন্ট ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হোটেল কানসাস সিটিম্যাচের সূচি: জাপান (১৪ জুন, ডালাস), সুইডেন (২০ জুন, হিউস্টন), তিউনিসিয়া (২৫ জুন, কানসাস সিটি)।ডাচরা আমেরিকার প্রথম বিশেষায়িত নারী পেশাদার ক্রীড়া দলের (কানসাস সিটি কারেন্ট) কমপ্লেক্সে অনুশীলন করবে। ঐতিহ্যবাহী 'কমলা ডাবল-ডেকার বাস' নিয়ে এবারও মাতবেন ডাচ সমর্থকরা।বেলজিয়ামঅবস্থান: রেন্টন, ওয়াশিংটনঅনুশীলন: সিয়াটল সাউন্ডার্স ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হায়াত রিজেন্সি, সিয়াটলম্যাচের সূচি: মিশর (১৫ জুন, সিয়াটল), ইরান (২১ জুন, লস অ্যাঞ্জেলেস), নিউজিল্যান্ড (২৬ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।ইতালি/অন্যান্য ইউরোপীয় দলসমূহ:ক্রোয়েশিয়া: অবস্থান ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া (এপিসকোপাল হাই স্কুল)। ম্যাচের সূচি: ইংল্যান্ড (১৭ জুন), পানামা (২৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্র (২৭ জুন)।অস্ট্রিয়া: অবস্থান সান্টা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেলের নাম রিৎজ-কার্লটন।সুইডেন: ফ্রিসকো, টেক্সাস (এফসি ডালাস স্টেডিয়াম)। ১৮২ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সংস্কার করা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে তারা।সুইজারল্যান্ড: সান ডিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেল থেকে একাডেমির দূরত্ব মাত্র ৮ মিনিট।চেক প্রজাতন্ত্র: ম্যানসফিল্ড, টেক্সাস (ম্যানসফিল্ড মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম)।এশিয়ান ও আফ্রিকান পরাশক্তিদের ক্যাম্প:জাপান: অ্যান্টিওক, টেনেসি (ন্যাশভিল এসসি ভ্যান্ডারবিল্ট হেলথ ট্রেনিং সেন্টার)।সৌদি আরব: অস্টিন, টেক্সাস (অস্টিন এফসি স্টেডিয়াম)। ২০৩৪ বিশ্বকাপের একক আয়োজক দেশটি থাকবে অস্টিনের ফোর সিজনস হোটেলে।মিশর: স্পোকেন, ওয়াশিংটন (গনজাগা বিশ্ববিদ্যালয়)। মোহাম্মদ সালাহর দল মূলত পশ্চিম উপকূল কেন্দ্রিক ম্যাচগুলো খেলবে।আইভরি কোস্ট: চেস্টার, পেনসিলভানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন সুবারু পার্ক)।সেনেগাল: পিসকাটাওয়ে, নিউ (রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়)।ঘানা: স্মিথফিল্ড, রোড আইল্যান্ড (ব্রায়ান্ট বিশ্ববিদ্যালয়)।উজবেকিস্তান (নবাগত): ম্যারিয়েটা, জর্জিয়া (আটলান্টা ইউনাইটেড ট্রেনিং সেন্টার)।ইরাক: হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া (দ্য গ্রিনব্রিয়ার রিসোর্ট)। যেখানে পূর্বে ২৮ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবস্থান করেছেন, সেই রাজকীয় রিসোর্টে থাকবে ইরাক দল।আলজেরিয়া: লরেন্স, কানসাস (কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়)।লাতিন ও উত্তর আমেরিকার অন্যান্য দল:যুক্তরাষ্ট্র (স্বাগতিক): আরভাইন, ক্যালিফোর্নিয়া (গ্রেট পার্ক স্পোর্টস কমপ্লেক্স)। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বিমানঘাঁটিতে তৈরি এই ক্যাম্পকে 'অনবদ্য' আখ্যা দিয়েছেন ইউএস সকারের ডিরেক্টর।অস্ট্রেলিয়া: ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া (ক্লেয়ারমন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড ক্লাব)।প্যারাগুয়ে: সান জোসে, ক্যালিফোর্নিয়া (সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি)।ইকুয়েডর: কলম্বাস, ওহিও (কলম্বাস ক্রু পারফরম্যান্স সেন্টার)।ডিআর কঙ্গো: হিউস্টন, টেক্সাস (হিউস্টন স্পোর্টস পার্ক)।কেপ ভার্দে (নবাগত): টাম্পা, ফ্লোরিডা (ওয়াটার্স স্পোর্টসপ্লেক্স)।কুরাসাও (নবাগত): পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডা (ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়)।জর্ডান (নবাগত): পোর্টল্যান্ড, ওরেগন (পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়)।মেক্সিকো (স্বাগতিক)অবস্থান: মেক্সিকো সিটিপ্রশিক্ষণ ও আবাসন: সেন্ট্রো ডি আল্টো রেন্ডিমিয়েন্টো (CAR)ম্যাচের সূচি: দক্ষিণ আফ্রিকা (১১ জুন, মেক্সিকো সিটি), দক্ষিণ কোরিয়া (১৮ জুন, গুয়াদালাহারা), চেকিয়া (২৪ জুন, মেক্সিকো সিটি)।মেক্সিকো তাদের নিজেদের ঘরের মাঠের আবহ এবং উচ্চতার সুবিধা (Altitude Advantage) শতভাগ কাজে লাগাতে রাজধানীতেই ক্যাম্প করেছে। এই হাই-পারফরম্যান্স কেন্দ্রটি ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে, যা একই সাথে খেলোয়াড়দের থাকা ও অনুশীলনের জায়গা হিসেবে কাজ করবে।কলম্বিয়াঅবস্থান: গুয়াদালাহারা, মেক্সিকোঅনুশীলন: অ্যাটলাস এজিএ একাডেমিআবাসন: গ্র্যান্ড ফিয়েস্তা আমেরিকানা কান্ট্রি ক্লাবউজবেকিস্তান (১৭ জুন, মেক্সিকো সিটি), ডিআর কঙ্গো (২৩ জুন, গুয়াদালাহারা), পর্তুগাল (২৭ জুন, মায়ামি)।বিশেষত্ব: ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা এই আধুনিক পারফরম্যান্স সেন্টারে ছয়টি পেশাদার মাঠ এবং স্পোর্টস সায়েন্স মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।মেক্সিকোর অন্যান্য ক্যাম্প:দক্ষিণ কোরিয়া: গুয়াদালাহারা (চিভাস ভার্দে ভালে)। উচ্চতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এই শহরটিকে বেছে নিয়েছে তারা।দক্ষিণ আফ্রিকা: পাচুকা (ইউনিভার্সিদাদ দেল ফুটবল)। এখানে একটি ফিফা-সার্টিফাইড মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।তিউনিসিয়া: মনটেনি (এল বারিয়াল ট্রেনিং সেন্টার)। লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রিমিয়াম ফুটবল সুবিধা এটি।প্লেয়া ডেল কারমেন, কুইন্টানা রু (মায়াকোবা ট্রেনিং সেন্টার)। বিমানবন্দর ও হোটেলের কাছাকাছি বিলাসবহুল রিসোর্ট সিটিতে থাকবে সুয়ারেজ-ভালভার্দের দেশ।কানাডা অবস্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়াঅনুশীলন: ন্যাশনাল সকার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারআবাসন: দ্য ওয়েস্টিন বেশোর, ভ্যাঙ্কুভারম্যাচের সূচি: বসনিয়া (১২ জুন, টরন্টো), কাতার (১৮ জুন, ভ্যাঙ্কুভার), সুইজারল্যান্ড (২৪ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।স্বাগতিক দেশের সুবিধা নিয়ে কানাডা ভ্যাঙ্কুভারে বেস ক্যাম্প করেছে। গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচের ২টিই তারা ঘরের মাঠে খেলবে।পানামাঅবস্থান: নিউ টেকুমসেথ, ওন্টারিওঅনুশীলন: নোটাওয়াসাগা ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: নোটাওয়াসাগা রিসোর্ট অ্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারম্যাচের সূচি: ঘানা (১৭ জুন, টরন্টো), ক্রোয়েশিয়া (২৩ জুন, টরন্টো), ইংল্যান্ড (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।কানাডা নিজেদের দল ছাড়া একমাত্র পানামাকেই তাদের দেশের মাটিতে বেস ক্যাম্প করার অনুমতি দিয়েছে।ইরানঅবস্থান: তিজুয়ানা, মেক্সিকো (যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের ঠিক বিপরীতে)ম্যাচের সূচি: নিউজিল্যান্ড (১৫ জুন), বেলজিয়াম (২১ জুন), মিশর (২৬ জুন)।রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে ইরানের বিশ্বকাপ ক্যাম্প নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দলটিকে স্বাগত জানালেও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে নির্বিঘ্নে অনুশীলনের জন্য আমেরিকার সান ডিয়েগোর ঠিক বিপরীতে মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইরান ফুটবল ফেডারেশন, যা ফিফা কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।সব মিলিয়ে ফুটবলারদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে আয়োজক শহরগুলো এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মাঠের লড়াইয়ে কোন ক্যাম্পের কৌশল কতটা কাজে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

নোবিপ্রবি ছাত্রশক্তির নবীনবরণে আসছেন নাহিদ ইসলাম

নোবিপ্রবি ছাত্রশক্তির নবীনবরণে আসছেন নাহিদ ইসলাম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের সম্মাননা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা কার্যক্রমের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আগামী ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এমপির।শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের সম্মাননা দেওয়া হবে। এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হান্নান মাসউদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মো. সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, নারী বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সালেহ উদ্দিন সিফাতের।এ ছাড়া জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু বাকার মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌহিদ মো. সিয়ামের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় ছাত্রশক্তির নোবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম।আয়োজনের বিষয়ে ছাত্রশক্তির নোবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বলেন, “নতুন সংগঠন হিসেবে আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো কিছু করতে। সেই লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন, যার প্রায় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী ৭ নভেম্বর ২০২৪ সালের একদফার ঘোষক নাহিদ ইসলাম আমাদের মাঝে উপস্থিত থাকবেন। আশা করি, সবার সহযোগিতায় আয়োজনটি সফল হবে।”

অনলাইন জরিপ
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৯ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !