বিপ্লবী বার্তা
সর্বশেষ
৭ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ১২ নভেম্বর

৭ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ১২ নভেম্বর

সারাদেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সাত ধাপে আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকারের এই বৃহৎ নির্বাচন কার্যক্রম। শেষ ধাপের ভোট হবে আগামী বছরের ২৭ মে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সাতটি ধাপে সম্পন্ন করা হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর। দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।এরপর আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সর্বশেষ সপ্তম ধাপে ২৭ মে ভোট নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।প্রথম ধাপের নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে দেশের ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদকে প্রথম ধাপের আওতায় রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব ইউনিয়নে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সারাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।তবে এখনো পুরো তফসিল চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান তিনি। কমিশনের বৈঠকে এসব বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী কার্যক্রমের তৃতীয় ধাপে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপে বসবে ইসি। সেখানে নির্বাচন আয়োজন, পরিবেশ, অংশগ্রহণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হবে।

এলপি গ্যাসের সংকট নিরসনে প্রেসক্লাবে ব্যবসায়ীদের সংবাদ সম্মেলন

এলপি গ্যাসের সংকট নিরসনে প্রেসক্লাবে ব্যবসায়ীদের সংবাদ সম্মেলন

দেশে এলপি গ্যাস সরবরাহ ও বিপণনে চলমান সংকট ও অস্থিতিশীলতা নিরসন এবং ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ১২ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃত্বে গত ৮ অক্টোবর রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সভায় দেশের প্রায় ৬৪টি জেলার ও বিভাগীয় কমিটির শীর্ষস্থানীয় এলপি গ্যাস পরিবেশকেরা অংশ নেন।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ঢাকার প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে সারা দেশের এলপি গ্যাস ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রান্তিক পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।আয়োজকদের উদ্দেশ্য, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাছে ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক দাবিগুলো তুলে ধরা এবং এলপি গ্যাস সরবরাহ ও বিপণনে বিদ্যমান সংকট দ্রুত নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া।তারা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে এলপি গ্যাসের চলমান সংকটের সমাধান হবে, জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর হবে এবং ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে।

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ / নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এক করুণ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ের ওপর থেকে ধেয়ে আসা প্রবল বানের তোড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ছয়শো মানুষ।মৃত্যুর এই তালিকার পাশাপাশি এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধারে কাজ করছেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী।এই প্রলয়ংকরী ঘটনার সূত্রপাত হয় হিমালয়ের বুক চিরে আসা নদীর পানি হঠাৎ তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা আকস্মিক ঢলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ভূমিধসের কাদা এবং পাথর এক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে। বানের পানির এই তীব্র শক্তি তার গতিপথে থাকা বাড়িঘর, সেতু, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ যাবতীয় অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র এবং পবিত্র স্থানগুলোতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু ও তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটেছিল। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে তাদের একটি বড় অংশ আটকা পড়েন কিংবা ভেসে যান, যার ফলে বহু ভিন্ন দেশের নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী তিব্বত অঞ্চলেও। সেখানেও বহু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

নোয়াখালীতে জামাত সমর্থিত ব্যবসায়ীকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে গুলি

নোয়াখালীতে জামাত সমর্থিত ব্যবসায়ীকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে গুলি

 বেগমগঞ্জ উপজেলায় জিনু মার্কেট এ মিজানুর রহমান মিজান ৩২ নামে এক ব্যবসায়ীকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। শনিবার রাত ১০টার দিকে আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের জিনু মার্কেটের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান  'মিজান স্টোর' এ কাজ করা অবস্থায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকায় প্রেরণের পরামর্শ দেন।​আহত মীযানুর রহমান বেগমগঞ্জ উপজেলার ১নং আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের আহাম্মদ উল্যাহর ছেলে। বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবু জায়েদ গুলিবিদ্ধের বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেন, গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী মিজান স্থানীয়ভাবে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক হিসেবে পরিচিত।শনিবার রাতে কেনাবেচার সময় গুলিবিদ্ধ মিজান নিজ দোকানে কর্মরত ছিলেন তখন স্থানীয় সন্ত্রাসী 'কানা নিজাম'-এর নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র দল হঠাৎ অতর্কিত হামলা চালায়।  এ সময় কানা নিজামের  উপস্থিতিতে ছিল স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী মিজানুর রহমান পলাশ, কালা শহীদ, তারেক, রায়হান, শাহ আলম, রাজু, ফরহাদ, ফাহাদ, আসিফ, সৈকত, নজরুল, রনি, সাকিব, ফয়সাল ও শাহসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জন তার ​ দোকানে ঢুকে খুব কাছ থেকে মিজানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে একটি গুলি তার বুকের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।পরে তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বেগমগঞ্জ উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন।​এদিকে ঘটনার পর থেকে পুরো জিনু মার্কেট ও আমানউল্যাপুর এলাকায় চরম আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ ঘটানায় বেগমগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন  খবর পেয়ে হাসপাতালে তার খোঁজ খবর নিয়েছি। ঘটনাস্থলে পরিদর্শন শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট / বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞ ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম শেষেই নিজ নিজ দেশের ক্যাম্পে যোগ দেবেন ফুটবলাররা। ১০৪ ম্যাচের এই দীর্ঘ বিশ্বযুদ্ধের বেশিরভাগ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকার মাটিতে।বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফুটবলারদের বিশ্রাম, পুষ্টি ও অনুশীলনের সুবিধা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি দলই ম্যাচ ভেন্যুর কাছাকাছি বেছে নিয়েছে নিজেদের বেস ক্যাম্প। তারকা ফুটবলারদের জন্য এসব ক্যাম্পে থাকছে আধুনিক পারফরম্যান্স ল্যাব, জিমনেসিয়াম ও বিলাসবহুল আবাসন ব্যবস্থা।পাঠকদের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের দলগুলোর বেস ক্যাম্প, অনুশীলনের ভেন্যু এবং গ্রুপ পর্বের ম্যাচের সময়সূচি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী দলসমূহআর্জেন্টিনা (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন)অবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: স্পোর্টিং কেসি পারফরম্যান্স সেন্টারআবাসন: হোটেল সেভয়, কানসাস সিটিআলজেরিয়া (১৬ জুন, কানসাস সিটি), অস্ট্রিয়া (২২ জুন, ডালাস), জর্ডান (২৭ জুন, ডালাস)।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ক্যাম্পে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের দোহা ক্যাম্পের মতোই এখানেও আলবিসেলেস্তেদের জন্য থাকছে তাদের ঐতিহ্যবাহী 'বার্বিকিউ মাংস' রান্নার বিশেষ কাস্টমাইজড সুবিধা। হোটেল থেকে অনুশীলন মাঠের দূরত্ব ২০ মিনিটেরও কম।ব্রাজিলঅবস্থান: নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সিঅনুশীলন: কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং施設 (নিউ জার্সি)আবাসন: রিজ হোটেল, নিউ ইয়র্ক সিটিম্যাচের সূচি: মরক্কো (১৩ জুন, নিউ জার্সি), হাইতি (১৯ জুন, ফিলাডেলফিয়া), স্কটল্যান্ড (২৪ জুন, মায়ামি)।পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা থাকার জন্য বেছে নিয়েছে ঝলমলে নিউ ইয়র্ক সিটি ('বিগ অ্যাপেল')। তবে তারা অনুশীলন করবে পার্শ্ববর্তী নিউ জার্সিতে এমএলএস দল নিউ ইয়র্ক রেড বুলসের সর্বাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে।জার্মানিঅবস্থান: উইনস্টন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনাঅনুশীলন: ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়াম)আবাসন: দ্য গ্রেলাইন এস্টেটম্যাচের সূচি: কুরাসাও (১৪ জুন, হিউস্টন), আইভরি কোস্ট (২০ জুন, টরন্টো), ইকুয়েডর (২৫ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।চারবারের চ্যাম্পিয়নরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে বিলাসবহুল বুটিক হোটেল গ্রেলাইন এস্টেট বেছে নিয়েছে। ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির এই স্টেডিয়ামটি আমেরিকার অন্যতম সেরা কলেজিয়েট ফুটবল ভেন্যু। এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের কোনো সুযোগ থাকবে না।ফ্রান্সঅবস্থান: ওয়ালথাম, ম্যাসাচুসেটসঅনুশীলন: বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়আবাসন: ফোর সিজনস হোটেল, বোস্টনম্যাচের সূচি: সেনেগাল (১৬ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি), ইরাক (২২ জুন, ফিলাডেলফিয়া), নরওয়ে (২৬ জুন, বোস্টন)।বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফরাসি দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কোনো ব্যাঘাত ছাড়াই চলবে।ইংল্যান্ডঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: সোয়াপ সকার সেন্টারআবাসন: দ্য ইন অ্যাট মেডোব্রুকম্যাচের সূচি: ক্রোয়েশিয়া (১৭ জুন, ডালাস), ঘানা (২৩ জুন, বোস্টন), পানামা (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।হ্যারিকেনদের হোটেলটি তাদের অনুশীলন মাঠ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। কানসাস সিটিতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসও ঘাঁটি গেড়েছে।পর্তুগালঅবস্থান: পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডাঅনুশীলন: গার্ডেন নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টস পার্কআবাসন: ফোর সিজনস হোটেলম্যাচের সূচি: ডিআর কঙ্গো (১৭ জুন, হিউস্টন), উজবেকিস্তান (২৩ জুন, হিউস্টন), কলম্বিয়া (২৮ জুন, মায়ামি)।১০টি মাঠের এই বিশাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল অনুশীলন করবে। এর আগে এখানে রিয়াল মাদ্রিদ দল ক্লাব বিশ্বকাপের সময় অনুশীলন করেছিল।স্পেনঅবস্থান: চ্যাটানুগা, টেনেসিঅনুশীলন: বেলর স্কুলআবাসন: দ্য অ্যাম্বাসি সুইটসম্যাচের সূচি: কেপ ভার্দে (১৫ জুন, আটলান্টা), সৌদি আরব (২১ জুন, আটলান্টা), উরুগুয়ে (২৬ জুন, গুয়াদালাহারা)।চ্যাটানুগার একটি অভিজাত ব্যক্তিগত স্কুলে অবস্থান করবে স্পেন। দলের শতভাগ গোপনীয়তা বজায় রাখতে বেলর স্কুল তাদের ক্যাম্পাসে ১০ ফুটের ব্ল্যাকআউট বেষ্টনী তৈরি করেছে।নেদারল্যান্ডসঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: কেসি কারেন্ট ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হোটেল কানসাস সিটিম্যাচের সূচি: জাপান (১৪ জুন, ডালাস), সুইডেন (২০ জুন, হিউস্টন), তিউনিসিয়া (২৫ জুন, কানসাস সিটি)।ডাচরা আমেরিকার প্রথম বিশেষায়িত নারী পেশাদার ক্রীড়া দলের (কানসাস সিটি কারেন্ট) কমপ্লেক্সে অনুশীলন করবে। ঐতিহ্যবাহী 'কমলা ডাবল-ডেকার বাস' নিয়ে এবারও মাতবেন ডাচ সমর্থকরা।বেলজিয়ামঅবস্থান: রেন্টন, ওয়াশিংটনঅনুশীলন: সিয়াটল সাউন্ডার্স ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হায়াত রিজেন্সি, সিয়াটলম্যাচের সূচি: মিশর (১৫ জুন, সিয়াটল), ইরান (২১ জুন, লস অ্যাঞ্জেলেস), নিউজিল্যান্ড (২৬ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।ইতালি/অন্যান্য ইউরোপীয় দলসমূহ:ক্রোয়েশিয়া: অবস্থান ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া (এপিসকোপাল হাই স্কুল)। ম্যাচের সূচি: ইংল্যান্ড (১৭ জুন), পানামা (২৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্র (২৭ জুন)।অস্ট্রিয়া: অবস্থান সান্টা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেলের নাম রিৎজ-কার্লটন।সুইডেন: ফ্রিসকো, টেক্সাস (এফসি ডালাস স্টেডিয়াম)। ১৮২ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সংস্কার করা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে তারা।সুইজারল্যান্ড: সান ডিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেল থেকে একাডেমির দূরত্ব মাত্র ৮ মিনিট।চেক প্রজাতন্ত্র: ম্যানসফিল্ড, টেক্সাস (ম্যানসফিল্ড মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম)।এশিয়ান ও আফ্রিকান পরাশক্তিদের ক্যাম্প:জাপান: অ্যান্টিওক, টেনেসি (ন্যাশভিল এসসি ভ্যান্ডারবিল্ট হেলথ ট্রেনিং সেন্টার)।সৌদি আরব: অস্টিন, টেক্সাস (অস্টিন এফসি স্টেডিয়াম)। ২০৩৪ বিশ্বকাপের একক আয়োজক দেশটি থাকবে অস্টিনের ফোর সিজনস হোটেলে।মিশর: স্পোকেন, ওয়াশিংটন (গনজাগা বিশ্ববিদ্যালয়)। মোহাম্মদ সালাহর দল মূলত পশ্চিম উপকূল কেন্দ্রিক ম্যাচগুলো খেলবে।আইভরি কোস্ট: চেস্টার, পেনসিলভানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন সুবারু পার্ক)।সেনেগাল: পিসকাটাওয়ে, নিউ (রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়)।ঘানা: স্মিথফিল্ড, রোড আইল্যান্ড (ব্রায়ান্ট বিশ্ববিদ্যালয়)।উজবেকিস্তান (নবাগত): ম্যারিয়েটা, জর্জিয়া (আটলান্টা ইউনাইটেড ট্রেনিং সেন্টার)।ইরাক: হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া (দ্য গ্রিনব্রিয়ার রিসোর্ট)। যেখানে পূর্বে ২৮ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবস্থান করেছেন, সেই রাজকীয় রিসোর্টে থাকবে ইরাক দল।আলজেরিয়া: লরেন্স, কানসাস (কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়)।লাতিন ও উত্তর আমেরিকার অন্যান্য দল:যুক্তরাষ্ট্র (স্বাগতিক): আরভাইন, ক্যালিফোর্নিয়া (গ্রেট পার্ক স্পোর্টস কমপ্লেক্স)। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বিমানঘাঁটিতে তৈরি এই ক্যাম্পকে 'অনবদ্য' আখ্যা দিয়েছেন ইউএস সকারের ডিরেক্টর।অস্ট্রেলিয়া: ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া (ক্লেয়ারমন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড ক্লাব)।প্যারাগুয়ে: সান জোসে, ক্যালিফোর্নিয়া (সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি)।ইকুয়েডর: কলম্বাস, ওহিও (কলম্বাস ক্রু পারফরম্যান্স সেন্টার)।ডিআর কঙ্গো: হিউস্টন, টেক্সাস (হিউস্টন স্পোর্টস পার্ক)।কেপ ভার্দে (নবাগত): টাম্পা, ফ্লোরিডা (ওয়াটার্স স্পোর্টসপ্লেক্স)।কুরাসাও (নবাগত): পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডা (ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়)।জর্ডান (নবাগত): পোর্টল্যান্ড, ওরেগন (পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়)।মেক্সিকো (স্বাগতিক)অবস্থান: মেক্সিকো সিটিপ্রশিক্ষণ ও আবাসন: সেন্ট্রো ডি আল্টো রেন্ডিমিয়েন্টো (CAR)ম্যাচের সূচি: দক্ষিণ আফ্রিকা (১১ জুন, মেক্সিকো সিটি), দক্ষিণ কোরিয়া (১৮ জুন, গুয়াদালাহারা), চেকিয়া (২৪ জুন, মেক্সিকো সিটি)।মেক্সিকো তাদের নিজেদের ঘরের মাঠের আবহ এবং উচ্চতার সুবিধা (Altitude Advantage) শতভাগ কাজে লাগাতে রাজধানীতেই ক্যাম্প করেছে। এই হাই-পারফরম্যান্স কেন্দ্রটি ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে, যা একই সাথে খেলোয়াড়দের থাকা ও অনুশীলনের জায়গা হিসেবে কাজ করবে।কলম্বিয়াঅবস্থান: গুয়াদালাহারা, মেক্সিকোঅনুশীলন: অ্যাটলাস এজিএ একাডেমিআবাসন: গ্র্যান্ড ফিয়েস্তা আমেরিকানা কান্ট্রি ক্লাবউজবেকিস্তান (১৭ জুন, মেক্সিকো সিটি), ডিআর কঙ্গো (২৩ জুন, গুয়াদালাহারা), পর্তুগাল (২৭ জুন, মায়ামি)।বিশেষত্ব: ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা এই আধুনিক পারফরম্যান্স সেন্টারে ছয়টি পেশাদার মাঠ এবং স্পোর্টস সায়েন্স মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।মেক্সিকোর অন্যান্য ক্যাম্প:দক্ষিণ কোরিয়া: গুয়াদালাহারা (চিভাস ভার্দে ভালে)। উচ্চতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এই শহরটিকে বেছে নিয়েছে তারা।দক্ষিণ আফ্রিকা: পাচুকা (ইউনিভার্সিদাদ দেল ফুটবল)। এখানে একটি ফিফা-সার্টিফাইড মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।তিউনিসিয়া: মনটেনি (এল বারিয়াল ট্রেনিং সেন্টার)। লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রিমিয়াম ফুটবল সুবিধা এটি।প্লেয়া ডেল কারমেন, কুইন্টানা রু (মায়াকোবা ট্রেনিং সেন্টার)। বিমানবন্দর ও হোটেলের কাছাকাছি বিলাসবহুল রিসোর্ট সিটিতে থাকবে সুয়ারেজ-ভালভার্দের দেশ।কানাডা অবস্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়াঅনুশীলন: ন্যাশনাল সকার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারআবাসন: দ্য ওয়েস্টিন বেশোর, ভ্যাঙ্কুভারম্যাচের সূচি: বসনিয়া (১২ জুন, টরন্টো), কাতার (১৮ জুন, ভ্যাঙ্কুভার), সুইজারল্যান্ড (২৪ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।স্বাগতিক দেশের সুবিধা নিয়ে কানাডা ভ্যাঙ্কুভারে বেস ক্যাম্প করেছে। গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচের ২টিই তারা ঘরের মাঠে খেলবে।পানামাঅবস্থান: নিউ টেকুমসেথ, ওন্টারিওঅনুশীলন: নোটাওয়াসাগা ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: নোটাওয়াসাগা রিসোর্ট অ্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারম্যাচের সূচি: ঘানা (১৭ জুন, টরন্টো), ক্রোয়েশিয়া (২৩ জুন, টরন্টো), ইংল্যান্ড (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।কানাডা নিজেদের দল ছাড়া একমাত্র পানামাকেই তাদের দেশের মাটিতে বেস ক্যাম্প করার অনুমতি দিয়েছে।ইরানঅবস্থান: তিজুয়ানা, মেক্সিকো (যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের ঠিক বিপরীতে)ম্যাচের সূচি: নিউজিল্যান্ড (১৫ জুন), বেলজিয়াম (২১ জুন), মিশর (২৬ জুন)।রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে ইরানের বিশ্বকাপ ক্যাম্প নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দলটিকে স্বাগত জানালেও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে নির্বিঘ্নে অনুশীলনের জন্য আমেরিকার সান ডিয়েগোর ঠিক বিপরীতে মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইরান ফুটবল ফেডারেশন, যা ফিফা কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।সব মিলিয়ে ফুটবলারদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে আয়োজক শহরগুলো এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মাঠের লড়াইয়ে কোন ক্যাম্পের কৌশল কতটা কাজে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

প্রথম চেষ্টায় সিভিল জজ, ইবির আমজাদের সাফল্যের গল্প

প্রথম চেষ্টায় সিভিল জজ, ইবির আমজাদের সাফল্যের গল্প

সাধারণ একটি পরিবারে জন্ম। বেড়ে ওঠা পঞ্চগড়ের গ্রামীণ পরিবেশে। সীমিত সুযোগ সুবিধার মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া, লক্ষ্যকে সামনে রেখে নিয়মিত প্রস্তুতি, শেষ পর্যন্ত সেই অধ্যবসায়ের ফল মিলেছে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরিক্ষায়। প্রথমবার ভাইভাতে অংশগ্রহণ করে সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন আমজাদ হোসেন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ছিলেন। পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার বলেয়াপাড়া গ্রামে জন্ম নেওয়া আমজাদের শৈশব কেটেছে ছয় সদস্যের পরিবারে। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সময় পারিবারিক মূল্যবোধ, প্রতিবেশীদের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। পরিবার থেকেই পেয়েছেন সততা, শৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের শিক্ষা।আমজাদ হোসেন বলেন, আমি একটি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছি। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে কিছু অর্থনৈতিক ও বাস্তব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। অনেক সময় সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় বই বা উপকরণ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও পরিকল্পনা করে চলতে হয়েছে। তবে পরিবারের সমর্থন, আল্লাহর রহমত এবং নিজের অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সেসব প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করার চেষ্টা করেছি। এসব অভিজ্ঞতা আমাকে সময়ের মূল্য, পরিশ্রমের গুরুত্ব এবং সীমিত সম্পদকে সঠিকভাবে ব্যবহারের শিক্ষা দিয়েছে। আমি মনে করি, সংকট মানুষকে আরও শক্তিশালী, বাস্তববাদী ও দায়িত্বশীল করে তোলে। আমজাদ হোসেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দ্বিতীয় বার ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে চান্স পায়। আইন নিয়ে পড়ার উদ্দেশ্যই তিনি সায়েন্স গ্রুপ ছেড়ে মানবিকে পরিক্ষা দেন। অবশেষে ইবির বি ইউনিটে ১৭ তম হয়। এতে তার সুযোগ হয় আইন বিভাগে অধ্যায়ন করার। এর পর থেকেই তার বিচারক হওয়া স্বপ্ন তৈরি হয়। তিনি বলেন, আইন বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করার পর থেকেই বিচার বিভাগের প্রতি আমার আগ্রহ তৈরি হয়। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার রক্ষা এবং আইনের শাসন সুসংহত করার যে মহৎ দায়িত্ব বিচারকদের ওপর ন্যস্ত, তা আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই বিচারক হওয়ার লক্ষ্য স্থির করি। এবং আমি প্রথম ভাইভাতেই সফল হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করি। এ সাফল্যের পেছনে মহান আল্লাহর পরিকল্পনা আর নিয়মিত প্রস্তুতি, আত্মবিশ্বাস এবং পরিবারের দোয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন,  আমি পরিকল্পিত ও ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রথমে আইনের মৌলিক ধারণা ও গুরুত্বপূর্ণ ধারা আয়ত্ত করেছি, এরপর মামলার রায়, সাম্প্রতিক আইনগত বিষয় ও লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে নিয়মিত অনুশীলন ও রিভিশন করেছি। ভাইভার জন্য নিজের পরিচয়, শিক্ষাজীবন, সমসাময়িক বিষয় ও আইনগত প্রশ্ন নিয়ে অনুশীলন করেছি। যারা বিচারক হতে চায় তাদের উদ্দেশ্য আমজাদ বলেন, যাদের স্বপ্ন বিচারক হওয়া তাদের সাধনাটা থাকতে হবে প্রবল। স্বপ্নপূরণের জন্য কি করতে হবে সেটা নিজের মধ্যে শতভাগ ধারণ করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। যত বাধা আসুক, ব্যর্থতা আসুক এই প্ল্যাটফর্ম থেকে সরে যাওয়া যাবে না যতক্ষণ সুযোগ থাকবে। অবশ্যই অনেক বেশি অধ্যবসায়ী হতে হবে, এটার বিকল্প কোনো রাস্তা নেই। কম পড়াশোনায় আসলে সম্ভব নয়।আমজাদ হোসেন সংবিধান ও আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক বিচার নিশ্চিত করতে চায়। বিচারপ্রার্থীর আর্থিক বা সামাজিক অবস্থান নয়, কেবল আইন ও প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দেওয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন তিনি। 

অনলাইন জরিপ
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৮ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !