বিপ্লবী বার্তা
হরমুজ নিয়ে বিশ্বনেতাদের তোড়জোড়, বৈঠকে বসছে ৪০টি দেশ

হরমুজ নিয়ে বিশ্বনেতাদের তোড়জোড়, বৈঠকে বসছে ৪০টি দেশ

বিশ্ব বাণিজ্যের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় সচল করতে বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের দুই প্রধান শক্তি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। আজ শুক্রবার প্রায় ৪০টি দেশের নেতাদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকের আয়োজন করেছে দেশ দুটি। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কাটাতে এবং নৌপথের নিরাপত্তা ফেরাতে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান নিজেদের জাহাজ ছাড়া অন্য সব দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে, গত সোমবার ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে বের হওয়া সব জাহাজের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রধান এই জ্বালানি সরবরাহ পথ।যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকে মূলত দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে:১. যুদ্ধবিরতি সমর্থন: দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ইরানের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাবে এবং একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজবে।২. নৌ-নিরাপত্তা: হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি 'আন্তর্জাতিক মিশন' গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে।যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (১০ ডাউনিং স্ট্রিট) থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশ্বনেতারা এই প্রণালিটি পুনরায় চালু করতে একটি সম্মিলিত আন্তর্জাতিক তদারকি দল বা মিশন গঠনের উদ্যোগ নেবেন। এই মিশনের মূল কাজ হবে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন সচল রাখা।হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে প্রতিটি মহাদেশে। আজকের এই ভার্চ্যুয়াল বৈঠক থেকে কোনো ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত আসে কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্ববাজার।

লোডশেডিংয়ে পুড়ছে গোপালগঞ্জ, গরমে ভোগান্তি ও সংকটে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

লোডশেডিংয়ে পুড়ছে গোপালগঞ্জ, গরমে ভোগান্তি ও সংকটে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

গ্রীষ্মের শুরুতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাট। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। একদিকে প্রচণ্ড তাপদাহ, অন্যদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম নাভিশ্বাস। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে ভোগান্তি এখন চরমে।সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, দেশের অনেক জেলাতেই বিদ্যুৎ আসার চেয়ে যাওয়ার পাল্লা ভারী। গ্রামীণ এলাকাগুলোতে দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলা শহরগুলোতে কিছুটা বিদ্যুৎ থাকলেও গ্রামগুলোতে পরিস্থিতি ভয়াবহ। অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ এলেও তা ১০-১৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হচ্ছে না।বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বর্তমান সংকটের মূলে রয়েছে বেশ কিছু কারিগরি ও কৌশলগত কারণ:বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি থাকায় উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।গ্রীষ্মের তীব্র গরমে দেশব্যাপী বিদ্যুতের চাহিদা রেকর্ড ছাড়িয়েছে।জাতীয় গ্রিডে প্রযুক্তিগত ত্রুটি এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে মাঝে মাঝেই বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে।বহুমুখী প্রভাবে থমকে গেছে জনজীবনবিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক আসা-যাওয়ার ফলে সব সেক্টরেই নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে:শিক্ষা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হিমশিম খাচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা।বাণিজ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে উৎপাদন কমে গেছে। বিকল্প হিসেবে জেনারেটর ব্যবহার করায় উৎপাদন খরচ বেড়ে ব্যবসায়িক লোকসান বাড়ছে।কৃষি বোরো মৌসুমে সেচ পাম্পগুলো চালানো যাচ্ছে না। সময়মতো সেচ দিতে না পারায় ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে পড়েছে।স্বাস্থ্য তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে হিটস্ট্রোকসহ গরমজনিত রোগবালাই বাড়ছে। হাসপাতালে রোগীদের সেবা ব্যাহত হচ্ছে।সমাধানের পথে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শবিদ্যুৎ খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেবলমাত্র সাময়িক পদক্ষেপ দিয়ে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য তারা কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন:জ্বালানি নিরাপত্তা: বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও কয়লা সরবরাহ নিশ্চিত করা।অবকাঠামো উন্নয়ন: জাতীয় গ্রিড ও ট্রান্সমিশন লাইনগুলোর আধুনিকায়ন করা যাতে প্রযুক্তিগত ত্রুটি কমে।নবায়নযোগ্য শক্তি: সৌর বিদ্যুৎসহ বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো যাতে মূল গ্রিডের ওপর চাপ কমে।গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এই বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে কৃষি ও অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের দাবি, রমজান ও সামনের দিনগুলোর কথা মাথায় রেখে সরকার যেন দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করে।

মতামত

কোন পোস্ট নেই !
হরমুজ নিয়ে বিশ্বনেতাদের তোড়জোড়, বৈঠকে বসছে ৪০টি দেশ

হরমুজ নিয়ে বিশ্বনেতাদের তোড়জোড়, বৈঠকে বসছে ৪০টি দেশ

বিশ্ব বাণিজ্যের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় সচল করতে বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের দুই প্রধান শক্তি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। আজ শুক্রবার প্রায় ৪০টি দেশের নেতাদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকের আয়োজন করেছে দেশ দুটি। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কাটাতে এবং নৌপথের নিরাপত্তা ফেরাতে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান নিজেদের জাহাজ ছাড়া অন্য সব দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে, গত সোমবার ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে বের হওয়া সব জাহাজের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রধান এই জ্বালানি সরবরাহ পথ।যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকে মূলত দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে:১. যুদ্ধবিরতি সমর্থন: দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ইরানের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাবে এবং একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজবে।২. নৌ-নিরাপত্তা: হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি 'আন্তর্জাতিক মিশন' গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে।যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (১০ ডাউনিং স্ট্রিট) থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশ্বনেতারা এই প্রণালিটি পুনরায় চালু করতে একটি সম্মিলিত আন্তর্জাতিক তদারকি দল বা মিশন গঠনের উদ্যোগ নেবেন। এই মিশনের মূল কাজ হবে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন সচল রাখা।হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে প্রতিটি মহাদেশে। আজকের এই ভার্চ্যুয়াল বৈঠক থেকে কোনো ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত আসে কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্ববাজার।

কাঠালিয়ায় প্রবাসীর জমি দখল ও চাঁদাবাজি করেন বিএনপির নেতা

কাঠালিয়ায় প্রবাসীর জমি দখল ও চাঁদাবাজি করেন বিএনপির নেতা

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর জমি দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে ভুক্তভোগী প্রবাসী রিয়াজ তালুকদারের স্ত্রী হনুফা বেগম প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে অভিযোগ জানিয়েছেন।স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১নং চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের মহিষকান্দি গ্রামের মৃত শাহজাহান তালুকদারের ছেলে রিয়াজ তালুকদার দীর্ঘ দিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। তিনি এলাকায় আড়াই একর জমি ক্রয় করে সেখানে একটি পাকা ভবন নির্মাণ করেন। জমির বাকি অংশ খালি থাকায় একই এলাকার জাকির ও ছগির হোসেন নামের দুই ব্যক্তি জমি কেনার অজুহাতে বিভিন্ন দাগে দখল চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও জাকির ও তার ভাই তা অমান্য করেন।বাধ্য হয়ে প্রবাসীর স্ত্রী হনুফা বেগম বাদী হয়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় একটি মামলা করেন। আদালত উক্ত জমিতে নিষেধাজ্ঞার নোটিশ জারি করলেও জাকির ও ছগির দলবল নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, রিয়াজ তালুকদার প্রবাসে থাকার সুযোগে অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে উপজেলা বিএনপি নেতা মামুনুর রশীদ দলবলসহ জমি দখলের চেষ্টা করেন। এসময় বাধা দিলে তিনি প্রবাসীর স্ত্রীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন।অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা মামুনুর রশীদ বলেন, "আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। সমাজে এবং দলীয়ভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।"এ বিষয়ে কাঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাসের রায়হান জানান, "আদালতের আদেশে বিতর্কিত জমিতে নিষেধাজ্ঞার নোটিশ জারি করা হয়েছে এবং স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভয়ভীতি দেখানো বা চাঁদা দাবির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

এবার কি বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন নেইমার জুনিয়র?

এবার কি বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন নেইমার জুনিয়র?

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ব্রাজিল ফুটবল টিমের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে আলোচনায় রয়েছে নেইমার জুনিয়রের নাম। আগামী ১৮ মে কোচ কার্লো আনচেলোত্তি ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করবেন। সেখানে এই তারকা ফরোয়ার্ড থাকবেন কি না তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে জল্পনা।মাঠের পারফরম্যান্স, শারীরিক ফিটনেস, সাম্প্রতিক বিতর্কিত মন্তব্য এবং বাজির বাজার সব মিলিয়ে নেইমারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’র বরাতে জানা যায়, পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘পলিমার্কেট’-এ তার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা এক সময় ৩৭ শতাংশ দেখানো হলেও পরে তা বেড়ে ৫৭ শতাংশে পৌঁছায়।অন্যদিকে, কোচ কার্লো আনচেলোত্তি সাম্প্রতিক মন্তব্যে জানিয়েছেন, নেইমারের পারফরম্যান্স উন্নতির পথে রয়েছে এবং আগামী দুই মাসে আরও উন্নতির সুযোগ আছে।স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের হাতে প্রায় ১১টি ম্যাচ রয়েছে, যেখানে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে দলে জায়গা নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘদিনের ইনজুরি সমস্যা ও ফিটনেস সংকটও তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে।সম্প্রতি ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে একটি ম্যাচ শেষে রেফারিকে নিয়ে করা মন্তব্যে বিতর্কে জড়ান নেইমার। তার ওই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয় এবং লিঙ্গবিষয়ক বিতর্কও তৈরি হয়। পরে তিনি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।ক্লাব সান্তস এফসি এর হয়ে তিনি বর্তমানে ফিটনেস পুনরুদ্ধারে কাজ করছেন। চিকিৎসা ও বিশেষ অনুশীলনের মাধ্যমে গতি ও সহনশীলতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সর্বশেষ ম্যাচে তিনি পুরো ৯০ মিনিট খেললেও এখনো পুরোপুরি শতভাগ ফিট নন বলে জানা গেছে।সবমিলিয়ে, ফিটনেস, পারফরম্যান্স এবং মাঠের বাইরের বিতর্ক সবকিছু মিলিয়ে নেইমারের বিশ্বকাপে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি।

চাকরি

কোন পোস্ট নেই !
নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ প্রশাসন, জাবিতে বহিরাগতদের দাপটে অবরুদ্ধ শিক্ষার্থীরা

নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ প্রশাসন, জাবিতে বহিরাগতদের দাপটে অবরুদ্ধ শিক্ষার্থীরা

পহেলা বৈশাখে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশে প্রশাসনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাস্তবে তা কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। উৎসবের দিনে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ ও দৌরাত্ম্যে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। এমনকি ছাত্রীদের আপত্তিকর ছবি তোলার সময় সেনাবাহিনীর এক সদস্যকে হাতেনাতে আটক করার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনাও ঘটেছে।গত ১২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে পহেলা বৈশাখে বহিরাগত প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হলেও উৎসবের দিন তার উল্টো চিত্র দেখা যায়। প্রধান ফটকগুলো দিয়ে ধাক্কাধাক্কি করে প্রবেশের পাশাপাশি অনেককে সীমানাপ্রাচীর টপকেও ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেখা গেছে। এতে করে ক্যাম্পাসের নিজস্ব সাংস্কৃতিক আয়োজনগুলোতে স্বাচ্ছন্দ্যে অংশ নিতে পারছেন না সাধারণ শিক্ষার্থীরা।ছাত্রীদের ক্লোজ ছবি তোলার সময় সিভিল পোশাকে থাকা এক সেনাসদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। অভিযোগের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক:ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য ও ইভটিজিংয়ের একাধিক ঘটনা ঘটেছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের সামনের ফুল ছিঁড়ে সৌন্দর্য নষ্ট করার অভিযোগও উঠেছে বহিরাগতদের বিরুদ্ধে।ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক আহসান লাবিব। তিনি ফেসবুকে লেখেন: "ক্যাম্পাসের পুরো সিকিউরিটি সিস্টেম কলাপস করেছে। নিরাপত্তারক্ষীদের পাশাপাশি জাকসু মেম্বারদেরও গেটম্যানের কাজ করা লাগছে। এদিকে বহিরাগতরা এসে আমাদের মেয়েদের টিজ করছে।"অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিহা জানান, টারজান ও প্রান্তিক গেট সংলগ্ন ছাত্রীদের হলের সামনের রাস্তাগুলোতে বহিরাগতদের গ্যাং ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা স্বাভাবিক চলাফেরা বাধাগ্রস্ত করছে। অন্যদিকে, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী আকিবুর রহমান সাবিত অভিযোগ করেন, ডেইরি গেটে নিরাপত্তাকর্মীরা দায়িত্ব পালনের চেয়ে হাসাহাসি ও মজা করতে বেশি ব্যস্ত ছিলেন।সার্বিক অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরদিন কথা বলার জন্য জানান।বর্তমানে প্রশাসনের এমন নির্লিপ্ত ভূমিকা এবং বহিরাগতদের দাপটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !