বিপ্লবী বার্তা
দেশে প্রথমবার ২৯ দিনে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা

দেশে প্রথমবার ২৯ দিনে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামে ৯ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের অপরাধে শাকিল হোসেন নামের এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।রোববার (২৪ মে) দুপুরে মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক তাজুল ইসলাম এই দণ্ড ঘোষণা করেন।২৯ কার্য দিবসের মধ্যে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা দেশের মধ্যে এটাই প্রথম। ‌আইন অনুযায়ী ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে রায় ঘোষণার নির্দেশনা রয়েছে।মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৬ জুন সকালে শিশুটির বাবা গ্রামের মাঠে কৃষিকাজ করছিলেন। বাবার জন্য সকালের খাবার নিয়ে মাঠে যাচ্ছিল ওই শিশু। এ সময় মাঠে ঘাস কাটছিল চাঁদপুর গ্রামের শাকিল হোসেন। শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে শাকিল। শাকিলের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে কান্নাকাটি করতে করতে বাবার কাছে পৌঁছায় ওই শিশু। ওইদিনই শিশুটাকে হাসপাতালে ভর্তি এবং গাংনী থানায় শাকিল এর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে শিশুটির পিতা।রায় ঘোষণাকালে আসামি শাকিল হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিল। আদালতের নির্দেশে তাকে মেহেরপুর ও জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ। পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মাত্র ২৯ কার্য দিবসে রায় ঘোষণা করেন আদালতে। বিচার ব্যবস্থায় যা একটি মাইল ফলক হিসেবে দেখছেন অনেকে। ‌ শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রায় প্রদান ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিউকিটর (পি পি) তুহিন অরণ্য। মেহেরপুর বিচারালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম ২৯ কার্য দিবসের মধ্যে রায় ঘোষণা বিচার প্রার্থীদের জন্য ইতিবাচক বলে জানান তিনি।

দেশে প্রথমবার ২৯ দিনে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা

দেশে প্রথমবার ২৯ দিনে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামে ৯ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের অপরাধে শাকিল হোসেন নামের এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।রোববার (২৪ মে) দুপুরে মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক তাজুল ইসলাম এই দণ্ড ঘোষণা করেন।২৯ কার্য দিবসের মধ্যে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা দেশের মধ্যে এটাই প্রথম। ‌আইন অনুযায়ী ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে রায় ঘোষণার নির্দেশনা রয়েছে।মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৬ জুন সকালে শিশুটির বাবা গ্রামের মাঠে কৃষিকাজ করছিলেন। বাবার জন্য সকালের খাবার নিয়ে মাঠে যাচ্ছিল ওই শিশু। এ সময় মাঠে ঘাস কাটছিল চাঁদপুর গ্রামের শাকিল হোসেন। শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে শাকিল। শাকিলের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে কান্নাকাটি করতে করতে বাবার কাছে পৌঁছায় ওই শিশু। ওইদিনই শিশুটাকে হাসপাতালে ভর্তি এবং গাংনী থানায় শাকিল এর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে শিশুটির পিতা।রায় ঘোষণাকালে আসামি শাকিল হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিল। আদালতের নির্দেশে তাকে মেহেরপুর ও জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ। পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মাত্র ২৯ কার্য দিবসে রায় ঘোষণা করেন আদালতে। বিচার ব্যবস্থায় যা একটি মাইল ফলক হিসেবে দেখছেন অনেকে। ‌ শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রায় প্রদান ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিউকিটর (পি পি) তুহিন অরণ্য। মেহেরপুর বিচারালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম ২৯ কার্য দিবসের মধ্যে রায় ঘোষণা বিচার প্রার্থীদের জন্য ইতিবাচক বলে জানান তিনি।

মতামত

কোন পোস্ট নেই !
নিজের ৫ বছরের সন্তানকে ২২ তলা থেকে ফেলে দিলেন মা

নিজের ৫ বছরের সন্তানকে ২২ তলা থেকে ফেলে দিলেন মা

শারজাহতে নিজের পাঁচ বছর বয়সি কন্যাসন্তানকে বহুতল ভবন থেকে নিচে ছুঁড়ে ফেলে পরে নিজেও ভবন থেকে লাফিয়ে পরে আত্মহত্যা করেছেন এক ভারতীয় প্রবাসী নারী।গত বুধবার (২০ মে) সকাল সোয়া ৭টার দিকে আল নাহদা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ৩৫ বছর বয়সি ওই নারী প্রথমে তার শিশুকন্যাকে ভবনের ব্যালকনি থেকে নিচে ফেলে দেন। এরপর নিজেও লাফিয়ে পড়েন। ভবনটির অতিরিক্ত পার্কিং ও জিমনেশিয়াম তলা থাকায় তারা প্রায় ২২ তলা সমান উচ্চতা থেকে নিচে পড়েন।ভবনের এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি বিকট শব্দ শুনে বাইরে এসে ভবনের সামনের রাস্তায় শিশুটির এবং ফুটপাতে মায়ের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে দ্রুত পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্সে খবর দেওয়া হয়।ঘটনার পরপরই পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। শনিবার (২৩ মে) বিকেল নাগাদ ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ নিহত নারীর স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তিনি দুবাই-এ একটি প্রতিষ্ঠানে এয়ারক্রাফট রিসোর্স অ্যালোকেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, কেরালা থেকে আসা এই দম্পতি প্রায় ১২ বছর ধরে বিবাহিত এবং গত সাত বছর ধরে ওই অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করছিলেন।নিরাপত্তাকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী দাবি করেছেন তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। এছাড়া প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ঘটনার আগের দিন পারিবারিক কলহের জেরে ওই বাসায় পুলিশও গিয়েছিল।এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো আবাসিক এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শিশুটি ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সবার প্রিয়। প্রতিদিন সকালে বাবার সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার সময় সে হাসিমুখে সবাইকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাত।শারজাহ পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা ও বিস্তারিত তদন্তের জন্য মামলাটি পাবলিক প্রসিকিউশনে পাঠানো হয়েছে।

নলছিটিতে ট্রলি উল্টে গাড়ির মালিক নিহত

নলছিটিতে ট্রলি উল্টে গাড়ির মালিক নিহত

ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায় একটি পণ্যবাহী ট্রলি উল্টে নিহত হয়েছেন গাড়ির মালিক হানিফ মাঝি (৩৮)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন চালক মো. ইমন। আজ রোববার (২৪ মে) উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা-খেজুরতলা সড়কের কালিবাড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত হানিফ মাঝি (৩৮) বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি এলাকার সুলতান মাঝির ছেলে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত ট্রলিচালক মো. ইমন বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা বাজার থেকে তিন চাকার ট্রলিটি ড্রামের তেল খালাস করে বাখরকাঠি ফিরে যাচ্ছিল। পথে কালিবাড়ি  এলাকায় পৌঁছালে অতিরিক্ত গতির কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান এবং ট্রলিটি উল্টে যায়। এসময় ট্রলির ওপরে থাকা মালিক হানিফ মাঝি ছিটকে নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।ঘটনার বিষয়ে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রলিটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট / বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞ ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম শেষেই নিজ নিজ দেশের ক্যাম্পে যোগ দেবেন ফুটবলাররা। ১০৪ ম্যাচের এই দীর্ঘ বিশ্বযুদ্ধের বেশিরভাগ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকার মাটিতে।বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফুটবলারদের বিশ্রাম, পুষ্টি ও অনুশীলনের সুবিধা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি দলই ম্যাচ ভেন্যুর কাছাকাছি বেছে নিয়েছে নিজেদের বেস ক্যাম্প। তারকা ফুটবলারদের জন্য এসব ক্যাম্পে থাকছে আধুনিক পারফরম্যান্স ল্যাব, জিমনেসিয়াম ও বিলাসবহুল আবাসন ব্যবস্থা।পাঠকদের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের দলগুলোর বেস ক্যাম্প, অনুশীলনের ভেন্যু এবং গ্রুপ পর্বের ম্যাচের সময়সূচি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী দলসমূহআর্জেন্টিনা (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন)অবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: স্পোর্টিং কেসি পারফরম্যান্স সেন্টারআবাসন: হোটেল সেভয়, কানসাস সিটিআলজেরিয়া (১৬ জুন, কানসাস সিটি), অস্ট্রিয়া (২২ জুন, ডালাস), জর্ডান (২৭ জুন, ডালাস)।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ক্যাম্পে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের দোহা ক্যাম্পের মতোই এখানেও আলবিসেলেস্তেদের জন্য থাকছে তাদের ঐতিহ্যবাহী 'বার্বিকিউ মাংস' রান্নার বিশেষ কাস্টমাইজড সুবিধা। হোটেল থেকে অনুশীলন মাঠের দূরত্ব ২০ মিনিটেরও কম।ব্রাজিলঅবস্থান: নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সিঅনুশীলন: কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং施設 (নিউ জার্সি)আবাসন: রিজ হোটেল, নিউ ইয়র্ক সিটিম্যাচের সূচি: মরক্কো (১৩ জুন, নিউ জার্সি), হাইতি (১৯ জুন, ফিলাডেলফিয়া), স্কটল্যান্ড (২৪ জুন, মায়ামি)।পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা থাকার জন্য বেছে নিয়েছে ঝলমলে নিউ ইয়র্ক সিটি ('বিগ অ্যাপেল')। তবে তারা অনুশীলন করবে পার্শ্ববর্তী নিউ জার্সিতে এমএলএস দল নিউ ইয়র্ক রেড বুলসের সর্বাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে।জার্মানিঅবস্থান: উইনস্টন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনাঅনুশীলন: ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়াম)আবাসন: দ্য গ্রেলাইন এস্টেটম্যাচের সূচি: কুরাসাও (১৪ জুন, হিউস্টন), আইভরি কোস্ট (২০ জুন, টরন্টো), ইকুয়েডর (২৫ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।চারবারের চ্যাম্পিয়নরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে বিলাসবহুল বুটিক হোটেল গ্রেলাইন এস্টেট বেছে নিয়েছে। ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির এই স্টেডিয়ামটি আমেরিকার অন্যতম সেরা কলেজিয়েট ফুটবল ভেন্যু। এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের কোনো সুযোগ থাকবে না।ফ্রান্সঅবস্থান: ওয়ালথাম, ম্যাসাচুসেটসঅনুশীলন: বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়আবাসন: ফোর সিজনস হোটেল, বোস্টনম্যাচের সূচি: সেনেগাল (১৬ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি), ইরাক (২২ জুন, ফিলাডেলফিয়া), নরওয়ে (২৬ জুন, বোস্টন)।বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফরাসি দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কোনো ব্যাঘাত ছাড়াই চলবে।ইংল্যান্ডঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: সোয়াপ সকার সেন্টারআবাসন: দ্য ইন অ্যাট মেডোব্রুকম্যাচের সূচি: ক্রোয়েশিয়া (১৭ জুন, ডালাস), ঘানা (২৩ জুন, বোস্টন), পানামা (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।হ্যারিকেনদের হোটেলটি তাদের অনুশীলন মাঠ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। কানসাস সিটিতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসও ঘাঁটি গেড়েছে।পর্তুগালঅবস্থান: পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডাঅনুশীলন: গার্ডেন নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টস পার্কআবাসন: ফোর সিজনস হোটেলম্যাচের সূচি: ডিআর কঙ্গো (১৭ জুন, হিউস্টন), উজবেকিস্তান (২৩ জুন, হিউস্টন), কলম্বিয়া (২৮ জুন, মায়ামি)।১০টি মাঠের এই বিশাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল অনুশীলন করবে। এর আগে এখানে রিয়াল মাদ্রিদ দল ক্লাব বিশ্বকাপের সময় অনুশীলন করেছিল।স্পেনঅবস্থান: চ্যাটানুগা, টেনেসিঅনুশীলন: বেলর স্কুলআবাসন: দ্য অ্যাম্বাসি সুইটসম্যাচের সূচি: কেপ ভার্দে (১৫ জুন, আটলান্টা), সৌদি আরব (২১ জুন, আটলান্টা), উরুগুয়ে (২৬ জুন, গুয়াদালাহারা)।চ্যাটানুগার একটি অভিজাত ব্যক্তিগত স্কুলে অবস্থান করবে স্পেন। দলের শতভাগ গোপনীয়তা বজায় রাখতে বেলর স্কুল তাদের ক্যাম্পাসে ১০ ফুটের ব্ল্যাকআউট বেষ্টনী তৈরি করেছে।নেদারল্যান্ডসঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: কেসি কারেন্ট ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হোটেল কানসাস সিটিম্যাচের সূচি: জাপান (১৪ জুন, ডালাস), সুইডেন (২০ জুন, হিউস্টন), তিউনিসিয়া (২৫ জুন, কানসাস সিটি)।ডাচরা আমেরিকার প্রথম বিশেষায়িত নারী পেশাদার ক্রীড়া দলের (কানসাস সিটি কারেন্ট) কমপ্লেক্সে অনুশীলন করবে। ঐতিহ্যবাহী 'কমলা ডাবল-ডেকার বাস' নিয়ে এবারও মাতবেন ডাচ সমর্থকরা।বেলজিয়ামঅবস্থান: রেন্টন, ওয়াশিংটনঅনুশীলন: সিয়াটল সাউন্ডার্স ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হায়াত রিজেন্সি, সিয়াটলম্যাচের সূচি: মিশর (১৫ জুন, সিয়াটল), ইরান (২১ জুন, লস অ্যাঞ্জেলেস), নিউজিল্যান্ড (২৬ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।ইতালি/অন্যান্য ইউরোপীয় দলসমূহ:ক্রোয়েশিয়া: অবস্থান ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া (এপিসকোপাল হাই স্কুল)। ম্যাচের সূচি: ইংল্যান্ড (১৭ জুন), পানামা (২৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্র (২৭ জুন)।অস্ট্রিয়া: অবস্থান সান্টা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেলের নাম রিৎজ-কার্লটন।সুইডেন: ফ্রিসকো, টেক্সাস (এফসি ডালাস স্টেডিয়াম)। ১৮২ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সংস্কার করা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে তারা।সুইজারল্যান্ড: সান ডিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেল থেকে একাডেমির দূরত্ব মাত্র ৮ মিনিট।চেক প্রজাতন্ত্র: ম্যানসফিল্ড, টেক্সাস (ম্যানসফিল্ড মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম)।এশিয়ান ও আফ্রিকান পরাশক্তিদের ক্যাম্প:জাপান: অ্যান্টিওক, টেনেসি (ন্যাশভিল এসসি ভ্যান্ডারবিল্ট হেলথ ট্রেনিং সেন্টার)।সৌদি আরব: অস্টিন, টেক্সাস (অস্টিন এফসি স্টেডিয়াম)। ২০৩৪ বিশ্বকাপের একক আয়োজক দেশটি থাকবে অস্টিনের ফোর সিজনস হোটেলে।মিশর: স্পোকেন, ওয়াশিংটন (গনজাগা বিশ্ববিদ্যালয়)। মোহাম্মদ সালাহর দল মূলত পশ্চিম উপকূল কেন্দ্রিক ম্যাচগুলো খেলবে।আইভরি কোস্ট: চেস্টার, পেনসিলভানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন সুবারু পার্ক)।সেনেগাল: পিসকাটাওয়ে, নিউ (রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়)।ঘানা: স্মিথফিল্ড, রোড আইল্যান্ড (ব্রায়ান্ট বিশ্ববিদ্যালয়)।উজবেকিস্তান (নবাগত): ম্যারিয়েটা, জর্জিয়া (আটলান্টা ইউনাইটেড ট্রেনিং সেন্টার)।ইরাক: হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া (দ্য গ্রিনব্রিয়ার রিসোর্ট)। যেখানে পূর্বে ২৮ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবস্থান করেছেন, সেই রাজকীয় রিসোর্টে থাকবে ইরাক দল।আলজেরিয়া: লরেন্স, কানসাস (কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়)।লাতিন ও উত্তর আমেরিকার অন্যান্য দল:যুক্তরাষ্ট্র (স্বাগতিক): আরভাইন, ক্যালিফোর্নিয়া (গ্রেট পার্ক স্পোর্টস কমপ্লেক্স)। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বিমানঘাঁটিতে তৈরি এই ক্যাম্পকে 'অনবদ্য' আখ্যা দিয়েছেন ইউএস সকারের ডিরেক্টর।অস্ট্রেলিয়া: ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া (ক্লেয়ারমন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড ক্লাব)।প্যারাগুয়ে: সান জোসে, ক্যালিফোর্নিয়া (সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি)।ইকুয়েডর: কলম্বাস, ওহিও (কলম্বাস ক্রু পারফরম্যান্স সেন্টার)।ডিআর কঙ্গো: হিউস্টন, টেক্সাস (হিউস্টন স্পোর্টস পার্ক)।কেপ ভার্দে (নবাগত): টাম্পা, ফ্লোরিডা (ওয়াটার্স স্পোর্টসপ্লেক্স)।কুরাসাও (নবাগত): পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডা (ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়)।জর্ডান (নবাগত): পোর্টল্যান্ড, ওরেগন (পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়)।মেক্সিকো (স্বাগতিক)অবস্থান: মেক্সিকো সিটিপ্রশিক্ষণ ও আবাসন: সেন্ট্রো ডি আল্টো রেন্ডিমিয়েন্টো (CAR)ম্যাচের সূচি: দক্ষিণ আফ্রিকা (১১ জুন, মেক্সিকো সিটি), দক্ষিণ কোরিয়া (১৮ জুন, গুয়াদালাহারা), চেকিয়া (২৪ জুন, মেক্সিকো সিটি)।মেক্সিকো তাদের নিজেদের ঘরের মাঠের আবহ এবং উচ্চতার সুবিধা (Altitude Advantage) শতভাগ কাজে লাগাতে রাজধানীতেই ক্যাম্প করেছে। এই হাই-পারফরম্যান্স কেন্দ্রটি ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে, যা একই সাথে খেলোয়াড়দের থাকা ও অনুশীলনের জায়গা হিসেবে কাজ করবে।কলম্বিয়াঅবস্থান: গুয়াদালাহারা, মেক্সিকোঅনুশীলন: অ্যাটলাস এজিএ একাডেমিআবাসন: গ্র্যান্ড ফিয়েস্তা আমেরিকানা কান্ট্রি ক্লাবউজবেকিস্তান (১৭ জুন, মেক্সিকো সিটি), ডিআর কঙ্গো (২৩ জুন, গুয়াদালাহারা), পর্তুগাল (২৭ জুন, মায়ামি)।বিশেষত্ব: ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা এই আধুনিক পারফরম্যান্স সেন্টারে ছয়টি পেশাদার মাঠ এবং স্পোর্টস সায়েন্স মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।মেক্সিকোর অন্যান্য ক্যাম্প:দক্ষিণ কোরিয়া: গুয়াদালাহারা (চিভাস ভার্দে ভালে)। উচ্চতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এই শহরটিকে বেছে নিয়েছে তারা।দক্ষিণ আফ্রিকা: পাচুকা (ইউনিভার্সিদাদ দেল ফুটবল)। এখানে একটি ফিফা-সার্টিফাইড মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।তিউনিসিয়া: মনটেনি (এল বারিয়াল ট্রেনিং সেন্টার)। লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রিমিয়াম ফুটবল সুবিধা এটি।প্লেয়া ডেল কারমেন, কুইন্টানা রু (মায়াকোবা ট্রেনিং সেন্টার)। বিমানবন্দর ও হোটেলের কাছাকাছি বিলাসবহুল রিসোর্ট সিটিতে থাকবে সুয়ারেজ-ভালভার্দের দেশ।কানাডা অবস্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়াঅনুশীলন: ন্যাশনাল সকার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারআবাসন: দ্য ওয়েস্টিন বেশোর, ভ্যাঙ্কুভারম্যাচের সূচি: বসনিয়া (১২ জুন, টরন্টো), কাতার (১৮ জুন, ভ্যাঙ্কুভার), সুইজারল্যান্ড (২৪ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।স্বাগতিক দেশের সুবিধা নিয়ে কানাডা ভ্যাঙ্কুভারে বেস ক্যাম্প করেছে। গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচের ২টিই তারা ঘরের মাঠে খেলবে।পানামাঅবস্থান: নিউ টেকুমসেথ, ওন্টারিওঅনুশীলন: নোটাওয়াসাগা ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: নোটাওয়াসাগা রিসোর্ট অ্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারম্যাচের সূচি: ঘানা (১৭ জুন, টরন্টো), ক্রোয়েশিয়া (২৩ জুন, টরন্টো), ইংল্যান্ড (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।কানাডা নিজেদের দল ছাড়া একমাত্র পানামাকেই তাদের দেশের মাটিতে বেস ক্যাম্প করার অনুমতি দিয়েছে।ইরানঅবস্থান: তিজুয়ানা, মেক্সিকো (যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের ঠিক বিপরীতে)ম্যাচের সূচি: নিউজিল্যান্ড (১৫ জুন), বেলজিয়াম (২১ জুন), মিশর (২৬ জুন)।রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে ইরানের বিশ্বকাপ ক্যাম্প নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দলটিকে স্বাগত জানালেও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে নির্বিঘ্নে অনুশীলনের জন্য আমেরিকার সান ডিয়েগোর ঠিক বিপরীতে মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইরান ফুটবল ফেডারেশন, যা ফিফা কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।সব মিলিয়ে ফুটবলারদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে আয়োজক শহরগুলো এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মাঠের লড়াইয়ে কোন ক্যাম্পের কৌশল কতটা কাজে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

চাকরি

কোন পোস্ট নেই !
ক্যাম্পাস ছাড়লেও ফুরায়নি টান

সাবেকদের চোখে স্বপ্নের কুবি / ক্যাম্পাস ছাড়লেও ফুরায়নি টান

বিশ্ববিদ্যালয় জীবন আসলে কয়েকটি বছর নয়; এটি এক জীবনের সমান অনুভূতির নাম। সময়ের সঙ্গে ক্লাসরুম বদলে যায়, ব্যস্ততা বেড়ে যায়, জীবনের পথও ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। কিন্তু কিছু জায়গা মানুষকে কখনো ছেড়ে যায় না। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ও অনেকের কাছে ঠিক তেমনই–এক টুকরো অনুভূতি, যেখানে এখনো রয়ে গেছে প্রথম দিনের ভয়, প্রথম বন্ধুত্ব, বিকেলের আড্ডা, সাংস্কৃতিক আয়োজন আর স্বপ্নে ভরা অসংখ্য দিন।ক্যাম্পাস ছেড়ে যাওয়ার পরও হঠাৎ কোনো ছবি, কোনো স্মৃতি কিংবা পরিচিত কোনো নাম শুনলে মনটা ফিরে যেতে চায় সেই লালমাটির পথে। দূরে থাকলেও প্রিয় ক্যাম্পাসের প্রতিটি অর্জন যেমন আনন্দ দেয়, তেমনি এর ভবিষ্যৎ নিয়ে জন্ম দেয় নতুন স্বপ্ন। কারণ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সাবেকদের ফেলে আসা একটি অধ্যায় নয়, এটি তাদের হৃদয়ের এমন একটি জায়গা, যার সঙ্গে সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে কমে না, বরং আরও গভীর হয়।সময় বদলেছে, বদলেছে ক্যাম্পাসও। নতুন শিক্ষার্থীদের পদচারণা, প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক চর্চা, অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এগিয়ে চলার নানা উদ্যোগ তৈরি করছে নতুন সম্ভাবনা। তবে সাবেক শিক্ষার্থীদের চোখে কুবির জন্য প্রত্যাশাও কম নয়। তারা দেখতে চান এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যা শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নেই নয়; গবেষণা, শিক্ষার মান, সৃজনশীলতা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশেও হয়ে উঠবে দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ।কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করা কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী তুলে ধরেছেন তাদের নিজেদের প্রিয় ক্যাম্পাস নিয়ে অনুভূতি ও ক্যাম্পাসের প্রতি তাদের প্রত্যাশার গল্প।পড়াশোনা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়েরই ইংরেজি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত তারিন বিনতে এনাম বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গর্বিত অ্যালামনাই ও বর্তমান শিক্ষক হিসেবে আমি আগামীর কুবিকে আধুনিক, গবেষণামুখী এবং শিক্ষার্থীবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণাধর্মী কার্যক্রমে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং, উচ্চশিক্ষা সহায়তা এবং নিয়মিত 'চাকরির মেলা' আয়োজন সময়ের দাবি।তিনি আরো বলেন, 'ওবিই কারিকুলামের সঙ্গে বাস্তব দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে আমরা এমন গ্র্যাজুয়েট তৈরি করতে চাই, যারা দক্ষ পেশাজীবীর পাশাপাশি সত্যিকারের বিশ্বনাগরিক হয়ে উঠবে।'বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক এবং বিভাগটির সাবেক শিক্ষার্থী মো. সাফায়েত হোসাইন বলেন, 'শুরু থেকেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমার আলাদা ভালোবাসা ও আন্তরিকতা কাজ করেছে। ছাত্রজীবন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করেছি, আর আজ শিক্ষক হিসেবে সেই পথচলার অংশ হতে পেরে ভালো লাগে।'তিনি আরো বলেন, 'আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের ‘এ’ ক্যাটাগরির একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয় আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।'মধুপোক বই প্রকাশনীতে কর্মরত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মারজিয়া আহমেদ রিয়া বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আমার কাছে শুধু একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটা আমার হাজারো স্মৃতি, আড্ডা, বন্ধুত্ব আর আমার আজকের এই আত্মপরিচয়ের আঁতুড়ঘর। ক্যাম্পাসে থাকাকালীন সময় থেকেই স্বপ্ন দেখতাম, কুবি একদিন আরও সমৃদ্ধ, গবেষণামুখী ও শিক্ষার্থীবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে।আমি চাই বর্তমান শিক্ষার্থীরা নিরাপদ, মুক্তচিন্তা ও সৃজনশীল পরিবেশে নিজেদের বিকশিত করার সুযোগ পাক। পাশাপাশি শিক্ষার মান, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চর্চাও আরও সমৃদ্ধ হোক।"বর্তমানে যুক্তরাজ্য প্রবাসী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আবুল কালাম বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আমার কাছে জীবনের সবচেয়ে আবেগময় একটি অধ্যায়। ক্যাম্পাস থেকে দূরে থাকলেও কুবির স্মৃতিগুলো এখনো একইভাবে হৃদয়ে রয়ে গেছে।'তিনি আরো বলেন, 'বর্তমান কুবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের প্রাণচাঞ্চল্য, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা সত্যিই ভালো লাগে। আমরা চাই, কুবি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নেই নয়; গবেষণা, শিক্ষার মান, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও মানবিক মূল্যবোধের জায়গাতেও দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠুক।'ক্যাম্পাসে প্রতিদিন নতুন শিক্ষার্থীরা আসে, নতুন গল্প তৈরি হয়, নতুন স্বপ্ন জন্ম নেয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ভালোবাসা কখনো পুরোনো হয় না। সাবেকদের চোখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় তাই শুধু স্মৃতির জায়গা নয়; এটি ভবিষ্যতেরও একটি স্বপ্ন- যে স্বপ্ন একদিন আরও বড়ো, আরও সমৃদ্ধ এবং আরও গর্বের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গল্প বলবে।

অনলাইন জরিপ
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !